নয়ডার সেক্টর ৯৯-এর একটি আবাসন সোসাইটি বিবাহিত বা অবিবাহিতদের ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়ার জন্য পরিবারের সম্মতিপত্র বা বিবাহের শংসাপত্র জমা দিতে বলেছে। সুপ্রিম টাওয়ার সোসাইটির সভাপতি ভিএন সুব্রামানিয়াম ফ্ল্যাট মালিকদের এই নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশ সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এই বহুতল আবাসনের ৭ তলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল এক আইনি ছাত্রের। তারপরেই আবাসনের সভাপতি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
যদিও সুপ্রিম টাওয়ারস অ্যাপার্টমেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এসটিএওএ) সেক্রেটারি এসএস কুশওয়াহা বলেছেন, এটি বোর্ডের সিদ্ধান্ত নয়, সভাপতি নিজেই এটি প্রচার করেছেন। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম টাওয়ার সোসাইটির অ্যাপার্টমেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ভিএন সুব্রামানিয়াম ২১ জানুয়ারি ফ্ল্যাট মালিকদের কাছে একটি ইমেল পাঠিয়েছিলেন। তাতে তিনি সমস্ত ফ্ল্যাট মালিকদের ৩১ জানুয়ারি বা তার আগে সমিতির অফিসে এইসব নথি জমা দিতে বলেছিলেন। ইমেলে বলা হয়েছে, অবিবাহিতদের (ছেলে বা মেয়ে) ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট মালিকদের অবশ্যই পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ঠিকানা এবং অনুমোদন সহ বিস্তারিত নথি জমা নিতে হবে। আর বিবাহিত হলে তাদের অবশ্যই একটি বিবাহের শংসাপত্র জমা নিতে হবে। লিভ ইন সম্পর্কে থাকা যুগলদের ক্ষেত্রে তাদের পরিবারের কাছ থেকে সম্মতি পত্র নিতে হবে। মূলত নিরাপত্তা এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত বলে ইমেলে জানানো হয়েছে।
আবাসনের একজন কর্মী জানান, সোসাইটিতে অবিবাহিত যুবক যুবতীদের উপদ্রব এড়াতে এটি ভালো সিদ্ধান্ত।তাঁর দাবি, অনেক সময় অবিবাহিতরা বাবা মায়ের জাল শংসাপত্র দিয়ে থাকেন। তার কিছু সময় পরে কিছু দুর্ঘটনা ঘটে। এই সিদ্ধান্তের ফলে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে।
আবাসনের একজন আইনি ছাত্র বলেন, এবিষয়ে নিরাপত্তা এবং নজরদারি বাড়ানো উচিত। যারা রাতে উপদ্রব করে তাদের সতর্ক করা উচিত। তিনি জানান, তিনি সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে চলেন। যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে তার জন্য নজর দেওয়া উচিত।সেক্রেটারি বলেন, সভাপতি নিজেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত নয়। তবে আবাসনের অনেকেই আবার সভাপতির এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন।