শতাব্দী রায়ের ছেলে দারুণ হ্যান্ডসাম! অভিনয়ে আসবে সাম্যরাজ?

Spread the love

টলিউডের এক সময়ের দাপুটে অভিনেত্রী, বর্তমানে সাংসদ শতাব্দী রায়ের ছেলে সাম্যজিৎ ও মেয়ে জুই-কে কি আগামী দিনে রুপোলি পর্দায় দেখা যাবে? এই প্রশ্ন দর্শকদের মনে দীর্ঘদিনের। শতাব্দী রায়ের কন্যা সৌমিয়ানা সদ্য় কৈশোরে পা দিয়েছে। বয়সে অনেকটাই ছোট। তবে ছেলে সাম্যরাজ কিন্তু এখন সুদর্শন পুরুষ। চাকরির ইন্টার্নশিপ করছে এই তারকা পুত্র। দারুণ হ্যান্ডসাম দেখতে শতাব্দী-মৃগাঙ্ক পুত্রকে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর সন্তানদের অভিনয় জগতে আসা নিয়ে নিজের স্পষ্ট মতামত জানালেন শতাব্দী। নিউজ এইটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শতাব্দী রায় জানান, তাঁর ছেলে বা মেয়ে অভিনয়ে আসবে কি না, তা সম্পূর্ণ তাদের নিজেদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তিনি কোনো কিছুই তাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চান না। শতাব্দী বলেন, ‘ওরা যদি আসতে চায়, তবে আসবে। আমি ওদের কখনো বারণ করিনি, আবার জোরও করিনি।’

প্রস্তুতি ও সুযোগ:

অভিনয় জগতকে শতাব্দী রায়ের চেয়ে ভালো আর কেই বা চেনেন? তিনি মনে করেন, আজকের দিনে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে গেলে শুধু নাম নয়, মেধা এবং প্রস্তুতিরও প্রয়োজন। তাঁর সন্তানরা যদি কখনো মনে করে তারা বড় পর্দায় কাজ করবে, তবে মা হিসেবে তিনি তাদের পাশে থাকবেন। তবে বর্তমানে তারা নিজেদের পড়াশোনা এবং ক্যারিয়ারের অন্যান্য দিক নিয়ে ব্যস্ত বলেই আভাস দিয়েছেন অভিনেত্রী।

সাফল্য বনাম লড়াই:

শতাব্দী আরও যোগ করেন যে, তিনি নিজে অনেক লড়াই করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন। সন্তানদের ক্ষেত্রেও তিনি চান তারা নিজেদের যোগ্যতায় পথ বেছে নিক। স্টার-কিড (Star-kid) হওয়ার সুবিধা থাকলেও দিনশেষে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে পারফর্ম করাটাই আসল। শতাব্দীর কথায়, মেয়ের ইচ্ছে রয়েছে অভিনয়ে আসার। মনের ইচ্ছে মায়ের কাছে প্রকাশও করেছে জুঁই (মেয়ের ডাক নাম)। যদিও চিত্রনাট্য ঠোঁটস্থ করতে হবে ভেবে খানিক ভয় পেয়ে যায় খুদে।

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া:

শতাব্দী রায়ের এই উদার মানসিকতা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। সন্তানদের ক্যারিয়ার নিয়ে তাঁর এই ‘কুল’ অ্যাটিটিউড দেখে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ‘মা হিসেবে তিনি সত্যিই অনুপ্রেরণা।’ মেয়ের সঙ্গে আজকাল রিল ভিডিয়োও পোস্ট করেন তৃণমূল সাংসদ।

সাম্যজিৎ এবং সৌমিয়ানা— আদতে বড় পর্দার গ্ল্যামার জগতকে বেছে নেন নাকি অন্য কোনো পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেন, সেটাই দেখার। তবে শতাব্দীর এই মন্তব্য আপাতত টলিপাড়ার জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *