শাশুড়ির ঠোঁটে চুমু খেয়ে জন্মদিন উদযাপন অপরাজিতার!

Spread the love

শুধুমাত্র দুর্দান্ত অভিনেত্রী হিসেবে নয়, একজন প্রাণখোলা মানুষ হিসেবেও পরিচিত অপরাজিতা আঢ্য। চিরকাল হাসিমুখেই তিনি কথা বলেন সকলের সঙ্গে। সকলের প্রিয় অপরাজিতা নিজের জন্মদিন উদযাপন করলেন একেবারে অন্যরকম স্টাইলে।

অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও সমান ভাবে পারদর্শী অপরাজিতা। বরাবর নিজেকে আপডেটেড করে রাখতেই ভালোবাসেন তিনি। বয়সকে তুড়ি মেরে সব রকম পোশাকে স্বচ্ছন্দ অভিনেত্রী। তবে তিনি যে কতটা প্রাণ খোলা মনের মানুষ তার একটি ছোট্ট নিদর্শন দেখতে পাওয়া গেল অভিনেত্রীর জন্মদিনের দিন।পরিবার এবং স্বামী শাশুড়িকে নিয়ে মধ্যরাতে জন্মদিনের কেক কাটেন অভিনেত্রী। ফুল এবং বেলুন দিয়ে সাজানো ঘরে কেক কাটেন অপরাজিতা। থিমের সঙ্গে ম্যাচিং করে একটি গোলাপি রঙের গাউন পরেন তিনি।

অপরাজিতার জন্য যে কেকটি আনা হয়েছিল তাতেও ছিল বেশ চমক। একেবারে পুরনো দিনের ড্রেসিং টেবিলের আদলে তৈরি করা হয়েছিল এই গোটা কেকটি। ফাউন্ডেশন থেকে ব্লাসার, লিপস্টিক থেকে শুরু করে হাইলাইটার সবকিছুই ছিল কেকের মধ্যে! কেকের মধ্যে যে পুরনো দিনের আদলে আয়না তৈরি করা হয়েছিল তাতে ছিল অপরাজিতার একটি ছবি।স্বামী এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায় অপরাজিতাকে। কিন্তু যে ছবিটি সব থেকে বেশি নজর কেড়েছে সেটি হল কেক কাটার পর স্বামীকে নয় বরং শাশুড়ির ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খান তিনি।অপরাজিতার সাফল্যের পেছনে তার শ্বশুরবাড়ির মানুষদের যে বিশাল অবদান রয়েছে তা বারবার স্বীকার করেন অভিনেত্রী। শাশুড়ির সঙ্গে একটা আলাদাই সখ্যতা রয়েছে তাঁর, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার স্বামীর থেকেও বেশি।

জন্মদিনের মধ্যরাতের এই সুন্দর মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে অপরাজিতা লেখেন, ‘আজ আমার জন্মদিন। ফ্রেমে যারা আছে তারাই আমার লাইফ লাইন। বৃষ্টিতে ছাতা, অন্ধকারে প্রদীপ, হতাশায় নিঃশব্দ আশ্রয়। আর যারা ছবিতে নেই, তারা হৃদয়ের গভীরতম আলো হয়ে আছে। নিঃশর্ত, নীরব, অনন্ত। আর কৃতজ্ঞতার দিন আমার লাইফ লাইনদের জন্য। যাদের ভালোবাসায় আমি প্রতিদিন নতুন করে জন্মাই।’

প্রসঙ্গত, ‘জেনারেশন আমি’ থেকে শুরু করে ‘চিনি’, সব রকম চরিত্রেই তিনি সমানভাবে স্বচ্ছন্দ। পুরনো খেয়ালের মা হোক অথবা নতুন আপডেটের শাশুড়ি, অপরাজিতা মানেই এক অন্যরকম চরিত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *