একজনের ব্যাটের জাদুতে গ্যালারিতে ঝড় ওঠে, আর অন্যজনের কণ্ঠের জাদুতে শান্ত হয় কোটি মানুষের মন। সূর্যকুমার যাদব এবং শ্রেয়া ঘোষালের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও, তাঁদের একটি বিশেষ কানেকশন আছে যা অনেকেই জানেন না।ঘটনাটি বেশ কয়েক বছর আগের। সূর্যকুমার যাদব তখনো জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেননি। শ্রেয়া ঘোষাল নিজেই টুইট করে জানিয়েছিলেন তাঁদের কানেকশনের কথা।
একবার ইংরেজদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৩১ বলে ৫৭ রান করে তাক লাগিয়েছিলেন স্কাই। সেইদিনই সূর্যকুমার যাদবের প্রশংসা করে টুইট করেছিলেন সংগীত তারকা শ্রেয়া ঘোষালও। শুধু তাই নয়, সেদিন শ্রেয়া ফাঁস করলেন সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে তাঁর বহু পুরনো কানেকশনের কথাও।
গায়িকার ভাই সৌম্যদীপ ঘোষালের ছেলেবেলার বন্ধু সূর্যকুমার যাদব। একসঙ্গেই অনুশক্তিনগর কলোনিতে (শ্রেয়ার বাপের বাড়ি) ক্রিকেট খেলে বড় হয়েছেন তাঁরা, সেই পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করেছিলেন গায়িকা। শ্রেয়া জানিয়েছিলেন, ‘দারুণ খেলেছো সূর্য় কুমার! কিন্তু অ্যাম্পায়ারের সিদ্ধান্তে খুব মন খারাপ যেভাবে তোমায় আউট দেওয়া হল। সৌম্য আর তুমি ছেলেবেলায় একসঙ্গে আমাদের অনুশক্তিনগর কলোনিতে ক্রিকেট খেলতে। খুব খুশি হচ্ছি তোমার এই সাফল্য লেখে’।
শ্রেয়ার টুইটের জবাবে সূর্য পালটা লিখেছিলেন, ‘স্পট অন শ্রেয়াদি’।

সূর্যকুমার যাদব ব্যক্তিগত জীবনে গান শুনতে খুব ভালোবাসেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে, ম্যাচ শুরুর আগে বা ড্রেসিংরুমে নিজের মন শান্ত রাখতে তিনি শ্রেয়া ঘোষালের গান শুনতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে শ্রেয়ার গাওয়া রোম্যান্টিক মেলোডিগুলো তাঁর অল-টাইম ফেভারিট।
দুজনে দুই ভিন্ন মেরুর মানুষ, কিন্তু শিল্পের প্রতি টান আর একে অপরের কাজের প্রতি সম্মান তাঁদের এই ‘ভার্চুয়াল কানেকশন’-কে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে সম্প্রতি দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। অন্যদিকে শ্রেয়া নিজের সঙ্গীত কেরিয়ার নিয়ে হালে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। চিকনি চামেলি-র মতো আইটেম গান, যেখান মেয়েদের ভোগ্যপণ্য হিসাবে উপস্থাপিত করা হয়, সেই গান থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন শ্রেয়া।