টলিপাড়ার আনাচে-কানাচে কান বা চোখ পাতলেই নানা খবর সামনে আসে। আবার কখনো দুই তারকাকে পরপর কোনো অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখলে, ভক্তরাই শুরু করে দেন প্রেমচর্চা! এই যেমন ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে টলিউড পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়-এর মধ্যকার নিবিড় বন্ধুত্ব ও চর্চিত সম্পর্ক বিনোদন পাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। খবর ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবির শুটিংয়ের সময় থেকে তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। সবটাই শুরু হয়েছিল, সমুদ্রতট থেকে দুজনের একটা ছবি ভাইরাল হওয়ার পর। যা ছিল এক সাদামাটা সেলফি, অবশ্য তাঁর ক্যাপশন ছিল, ‘স্যর আঁখো পার’! ব্যস আর কী! জল্পনার পালে নতুন করে হাওয়া লাগে।
সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায় বললেন, ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র কোনো পরিকল্পনা নেই। আসলে কোনো ভ্যালেন্টাইন তো নেই আমরা। পুরোপুরি সিঙ্গেল আমি। আর ভ্যালেন্টাইন খুঁজছিও না আমি। পেলে মন্দ হয় না, তবে বিশেষ করে খুঁজছি না। এই কাজের মধ্যে দিয়েই কাটছে। বিকেলে সময় পেলে একটু বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করব।’
এর আগে সৃজিতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুস্মিতার জবাব ছিল, ‘আমরা খুব ভালো বন্ধু। এর থেকে বেশি কিছু বলতে পারব না। যে যা ভাবছে ভাবুক’। আর টলিপাড়ার দুঁদে পরিচালক সৃজিত এতে বলে উঠেছিলেন, ‘একটা সেলফি নিয়ে এত জল্পনা কল্পনা! আমরা তো ২০২৫ এ বাস করছি! রিল্যাক্স গাইজ রিল্যাক্স’!
এদিকে, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নতুন প্রেম নিয়ে যখন জল্পনা-কল্পনার মেঘ, তখন স্পষ্ট করে দেওয়া ভালো যে, এখনও আইনত ডিভোর্স হয়নি তাঁর। বাংলাদেশের নায়িকা মিথিলাকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে বিয়েটা হয়। এরপর ভারতে সংসারও পাতেন মিথিলা-সৃজিত। সেই সময় মিথিলা-কন্যা আইরাও মায়ের সঙ্গে এসে থাকত ভারতে। তবে বছরখানেকের মধ্যেই ছন্দপতন। মেয়েকে বাংলাদেশে ফেরতনিয়ে চলে যান মিথিলা। তিনিও আর থাকেন না ভারতে সৃজিতের সঙ্গে। কাজ ছাড়া আজকাল কলকাতায় দেখাও যায় না।
