সেলেব থেকে আম আদমি- সবাই মাতোয়ারা স্টুডিও ঘিবলি আর্ট নিয়ে

Spread the love

সোশ্যাল মিডিয়ার যেন এখন ‘ঘিবলি’ফিকেশন হয়েছে! তারকা থেকে আম আদমি সকলেই মেতেছেন এই এক ট্রেন্ড নিয়ে। নিজেদের ছবি AI এর সাহায্যে ঘিবলি স্টাইলে বানিয়ে স্রোতে গা ভাসাচ্ছেন। কিন্তু আদতে কী এই স্টুডিও ঘিবলি? কেনই বা এটা নিয়ে এত হইচই শুরু হল?

কী এই স্টুডিও ঘিবলি?

ওপেন AI এর নতুন ইমেজ জেনারেটরের সাহায্যে গোটা পৃথিবীর মানুষ তাঁদের নিজেদের ছবি থেকে পছন্দের জায়গা, জিনিসকে স্টুডিও ঘিবলির আইকনিক অ্যানিমেশন স্টাইল আর্টে বদলে ফেলছেন। এই বিশেষ ধরনের অ্যানিমেশন আর্টের প্রধান ছিলেন হায়াও মিয়াজাকি । এই বিষয়ে এও বলে রাখি, তিনি কিন্তু এই ধরনের কাজ কর্ম একেবারেই পছন্দ করতেন না। তাঁর মতে এটা করলে জীবনকে অপমান করা হয়।

এবার আসা যাক মোদ্দাকথায়, কী এই স্টুডিও ঘিবলি? এটা হল পুরস্কার জয়ী এবং বেশ পরিচিত একটি জাপানিজ অ্যানিমেশন স্টুডিও, যেটার উৎপত্তি টোকিওর কোগানেইয়ে। এটি তৈরি করেছিলেন দুই অ্যানিমেটর এবং পরিচালক মিয়াজাকি হায়াও এবং তাকাহাটা ইসাও এবং প্রযোজক সুজুকি তোশিও । ১৯৮৫ সালে তাঁরা এটা তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই কোম্পানি গোটা বিশ্বের কাছে পরিচিতি পায় তাঁদের উন্নতমানের অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্মের জন্য।

ঘিবলি শব্দটি এসেছে লিবিয়ান আরবিক শব্দ যেটার অর্থ গরম মরুভূমির হাওয়া।

বর্তমানে এটি এত ভাইরাল হয়েছে কারণ ওপেন AI এর চ্যাট জিপিটির নতুন ইমেজ জেনারেটর হইচই ফেলেছে ঘিবলির অ্যানিমেশন স্টাইলে বিশেষ নজর দিয়ে। অনেকেই তারপর এটির সাহায্যে নিজেদের ঘিবলি স্টাইলে তৈরি করা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *