স্কুলে সহপাঠীর সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হত কাঞ্চনের? কেন জানেন?

Spread the love

স্কুলে পড়াকালীন ছোট বড় বহু স্মৃতি তৈরি হয় প্রত্যেকের জীবনেই। খারাপ, ভালো সব রকম ঘটনায় মিলেমিশে থাকে স্কুল জীবনের সঙ্গে। তবে খারাপ বা ভালো নয়, এবার ছোটবেলায় অঙ্ক পরীক্ষার দিনে ঘটা একটি মজার ঘটনার কথা বললেন কাঞ্চন মল্লিক।

সন্দেশ টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাঞ্চন বলেন, ‘আমার পাড়ার লোকেরা আমায় মনে রাখত তখনই, যখন আমার অঙ্ক পরীক্ষা থাকত। সবাই বলত যে কাঞ্চনের অঙ্ক পরীক্ষা আছে কারণ অঙ্ক পরীক্ষা ছাড়া অন্য কোনও দিন আমি টানা রিকশায় চড়তাম না। আমার খুব খারাপ লাগত লোকে লোককে টানছে এটা দেখে। তাই আমি কোনদিন টানা রিকশায় উঠতাম না।’

ছোটবেলার স্মৃতি রোমন্থন করে কাঞ্চন বলেন, ‘আমাদের ওখানে টানা রিকশা ছাড়া রিকশা চলতো না তখন। আমার বাড়ি থেকে স্কুল হাঁটা পথ তাই আমি হেঁটে যেতাম। কিন্তু ওই একটা দিন আমি রিকশায় যেতাম। আর আমার শরীরটা রিকশা থেকেই ঝুলে থাকতো আর মা আমাকে চেপে ধরে থাকতো। আমার খালি বমি পেত তখন।’

কাঞ্চন আরও বলেন, ‘আমার স্কুলের স্যাররা আমায় বলতেন তুই পড় বাবা, শুধু খালি কোয়েশ্চেন পেপারটা শুধু পড়। আমার কাছে তখন মনে হত সংখ্যাগুলো আমার সামনে ঘুরপাক খাচ্ছে। আমার মাথাটা যেন বো বো করতো। আমার এখন মনে হয় তারে জামিন পার সিনেমার ওই রোগটা বোধহয় আমার ছিল।’

এরপর সহপাঠীর সঙ্গে ঘটা সেই মজার ঘটনার কথা উল্লেখ করে কাঞ্চন বলেন, ‘কেশব চন্দ্র নাগের নাতি মনীষ নাগ আমাদের সঙ্গে পড়ত। কি মারামারি না হতো ওর সঙ্গে।’ আমি বলতাম, ‘তোর দাদু চৌবাচ্চায় ফুটো…’ কথা শেষ হতে না হতেই ও আমায় বলতো ‘এই দাদু তুলবি না’। আমিও বলতাম, ‘কেন বলব না, তোর দাদুই তো অঙ্কটা লিখেছে। বর্ধমান থেকে কলকাতা ট্রেন যাবে, সেটা লেট করবে, তোর দাদু কেন লিখবে? এইভাবে আমাদের ঝগড়া চলত।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *