১ দিন আগেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ছবি পোস্ট করেছিলেন অঙ্কিতা ভট্টাচার্য(Ankita Bhattacharjee)। ‘সারেগামাপা-২০১৯’ এর চ্যাম্পিয়ন তিনি। বর্তমানে গানের দুনিয়ার বেশ পরিচিত মুখ অঙ্কিতা। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। তাই তাঁর পোস্টে স্বভাবতই অনুরাগীদের মনে কৌতুহল জেগেছিল, কোথায় যাচ্ছেন তিনি?
২১ মার্চ গায়িকার পোস্টে জানা গেল, হরিদ্বার পৌঁছেছেন গায়িকা। অঙ্কিতার সঙ্গী তাঁর বাবা-মা আর ভাই। ‘হর হর মহাদেব’, ‘হর হর গঙ্গা’ ক্য়াপশানে হরিদ্বার থেকেই বেশকিছু ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন সঙ্গীতশিল্পী। যেখানে অঙ্কিতাকে কখনও পরিবারের সঙ্গে রোপওয়ে চড়তে, কখনও আবার হরিদ্বারের গঙ্গা আরতি দেখতে দেখা গিয়েছে।
তবে শুধু কি বেড়ানো, নাকি কোনও শো রয়েছে সেখানে? তিনি জানান, ‘না, না কোনও শো নয়। এমনিই বাবা-মা ভাই-এর সঙ্গে বেড়াতে এসেছি। ২০ তারিখে এখানে এসেছি। হরিদ্বার থেকে ঋষিকেশ মুসৌরি হয়ে তারপর ২৫ তারিখ ফিরব।’
অঙ্কিতা বলেন, ‘এখানে বেশ ঠাণ্ডা, তবে তার মধ্যেই গঙ্গায় স্নান করেছি, পুজো দিয়েছি। এখানে যেভাবে গঙ্গা আরতি হয়, আর সেটা দেখতে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। প্রায় ঠাসা লোক ছিল। সকলেই হর হর গঙ্গে, হর হর মহাদেব বলছিলেন। সেটা শুনতেও বেশ লাগছিল। আমরা মাটিতে বসে সকলের সঙ্গে আরতি দেখেছি। বেশ সুন্দর লেগেছে, মন ভরে গেছে। সেখানে একটা বাচ্চা (৬-৭ বছরের ছেলে) এসে জিগ্গেস করল, তিলক লাগানা হ্য়ায়? আমি বললাম, ঠিক হ্য়ায় লাগা দো। তখন ও আমাদের ৪ জনকেই তিলক লাগিয়ে দিল।
তারপর চণ্ডীমন্দির আর মনসা মন্দির গিয়েছে। দুটো জায়গাতেই রোপওয়েতে উঠেছি। প্রায় অনেকটাই উপরে। তাই সেসময় ভয় লাগছিল বেশ।’
খাওয়া দাওয়ার প্রশ্ন গায়িকা জানান, ‘হরিদ্বারে দাদা-বৌদি বলে একটা বিখ্যাত বাঙালি রেস্তোরাঁ আছে। ওখানে খেয়েছি। তবে নিরামিষ খাওয়া দাওয়া। আগামীকাল (শনিবার) ঋষিকেশ যাব। সেখান থেকে যাব মুসৌরিতে। ওখানে থাকব। আপাতত এই পরিকল্পনা।’
গানের ক্ষেত্রে আপকামিং ‘অন্নুপূর্ণা’, এবং সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘গিরগিটি’ ছবিতে গান গেয়েছেন অঙ্কিতা ভট্টাচার্য।