হোম থেকে পালালেন বাংলাদেশি-সহ ১০ মহিলা

Spread the love

মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি হোম থেকে ১০ জন মহিলা আবাসিকের পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও রাতভর তল্লাশি চালিয়ে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ ১০ জনকেই উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া মহিলা আবাসিকদের মধ্যে সাত জন বাংলাদেশের এবং তিন জন এ দেশের নাগরিক বলে বারাসত পুলিশ জেলা সূত্রের খবর। তবে, এই ঘটনার পরে ওই হোমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হোম কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার গভীর রাতে। মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকার ওই হোমে অনেক আবাসিক থাকে। সেখান থেকে একসঙ্গে ১০ জন আবাসিকের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় হোমের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আবাসিকদের মধ্যে ২ জন নাবালিকা, ৭ জন বাংলাদেশি মহিলা ও একজন এ রাজ্যের বাসিন্দা বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সোমবার আনুমানিক রাত ১২ টা নাগাদ ওই হোমের ১০ জন আবাসিক গেটের তালা ভেঙে পালিয়ে যায়। হোমের নিরাপত্তা কর্মী তাদের বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু লাভ হয়নি। দ্রুত খবর দেওয়া হয় মধ্যমগ্রাম থানায়। খবর পেয়েই রাতে ওই এলাকায় জোরদার তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ গঙ্গানগর কাটাখাল-সহ সংলগ্ন এলাকা থেকে ১০ জন আবাসিককেই উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হোমটি শুধু মহিলা আবাসিকের জন্য। বিদেশি নাগরিক বা সিডব্লিউসি’র মাধ্যমে এই হোমে পাঠানো হয়। তবে সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই হোম কর্তৃপক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওই আবাসিকদের ক্ষোভ ছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি ঘটে বলেই জানা গিয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল) দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হোম কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। হোমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা-সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জোরদার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। অন্যদিকে, এই ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কীভাবে আবাসিকরা পালালেন? নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কতটা খামতি ছিল? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *