৭১ লক্ষ টাকা, ২১ তোলা সোনা! বিয়েতে পণ নিয়ে রোষের মুখে জনপ্রিয় ইউটিউবার

Spread the love

৭১ লক্ষ টাকা নগদ, ২১ তোলা সোনা। বিয়েতে বিপুল পরিমাণ পণ নিয়ে বিতর্কে জড়ালেন জনপ্রিয় ভারতীয় ইউটিউবার অরুণ পানওয়ার। ২০২৫ সালের শেষদিকে বিয়ে হয়েছিল এই ইউটিউবারের। তাঁর বিয়ের একটি ভিডিও সম্পতি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানেই দেখা গিয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ যৌতুক গ্রহণ করছেন অরুণ, তাও নাকি ‘দান’ হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে ওই ইউটিউবারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটিজেনরা।

সূত্রের খবর, নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে মাসে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উপার্জন হয় অরুণ পানওয়ারের। ২.৪ মিলিয়নের বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছেন এই ইউটিউবারের ইউটিউব চ্যানেলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিয়ের ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে, নগদ টাকা ও সোনার গয়নার পরিমাণ দেখে নেটিজেনদের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে। ভাইরাল ভিডিওতে অরুণ অবশ্য দাবি করেছেন যে, ৭১ লক্ষ টাকা নগদ এবং ২১ তোলা সোনা বিয়েতে ‘দান’ হিসেবে পেয়েছেন তিনি। তবে নেটিজেনরা এই সব যুক্তি মানতে নারাজ। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, অরুণ নিয়ে হাতে থরে থরে সাজানো টাকার বান্ডিল ও সোনা গ্রহণ করছেন। ভিডিওটি দেখে নেটিজেনরা চমকে গেলেও, কেউ কেউ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন, কেউ আবার বিরক্ত প্রকাশ করেছেন। বেশিরভাগ নেটিজেন জানিয়েছেন, একুশ শতকে দাঁড়িয়েও কীভাবে একজন পণ নিলেন, তাও আবার এই বিপুল পরিমাণ, সেটাই অবিশ্বাস্য।

যদিও ইউটিউবারের তরফে এখনও এই ভিডিওর প্রসঙ্গে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউটিউবারের কীর্তিকলাপ ভাইরাল হওয়ার পর থেকে তাঁকে তুলোধনা করতে ছাড়ছেন না নেটিজেনরা। সোশ্যাল একজন লিখেছেন, ‘সাবধান! টাকার লোভে যে কেউ পাত্রকে অপহরণ করতে পারেন।’ আবার একজন লিখেছেন, ‘ধনী হলেও, টাকার অপচয় মোটেই ভাল না। এই টাকা দিয়ে গরিব, দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল।’ তবে ভিডিওটি কোথায় তোলা, তা জানা যায়নি। পণপ্রথা যে এখনও ভারতে যথেষ্ট ভাবে চালু রয়েছে, মাঝে মাঝেই বেশ কিছু সাংঘাতিক ঘটনার মাধ্যমে তা প্রকাশ্যে আসে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিয়ের বেশ কিছু বছর পর স্ত্রী’র মৃত্যু হয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃতার পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয় যে, মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোক দিনের পর দিন পণের দাবিতে অত্যাচার করত। কিছু ক্ষেত্রে মেয়েকে মেরে ফেলার অভিযোগ ওঠে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। কোথাও বা অত্যাচার সইতে না পেরে নিজেদেরকেই শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অনেক মহিলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *