নিউজিল্যান্ডের মাটিতে কিউইদের বিরুদ্ধে পরপর ৩ টি২০ ম্যাচ জিতে সিরিজে পকেটে পুরে ফেলেছে শ্রেয়স আইয়ারের ভারত। এদিন সিরিজের শেষ ম্যাচে কার্যত মাঠে ‘মারকুটে’ মেজাজে দেখা যায় অভিষেক শর্মাকে। ওয়েলিংটনে এদিনের ম্যাচে পঞ্জাব দা পুত্তর অভিষেকের ঝুলিতে আসে এক ঝকঝকে সেঞ্চুরিও। ৩৮ বল-এ ১১৩ রানের সেই ইনিংস ছিল বাউন্ডারি-খচিত! অভিষেকের এদিনের ইনিংসে অপর প্রান্ত থেকে যোগ্য সঙ্গত দিয়ে ঝড় তুলতে দেখা যায় ১৫ বছরের বৈভবকেও। আর ম্যাচ শেষে এদিন অভিষেকের কাছে প্রশ্ন যায়, তাঁর ক্রিকেট-গুরু যুবরাজ সিংয়ের এক পোস্ট ঘিরে। কী ছিল সেই পোস্টে?
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে অভিষেক-ঝড়ে ভর করে ৬ উইকেটে এদিনের ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। প্রথমে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন স্যান্টনার। ২২ গজে এরপর ঝড় তুলতে থাকেন কিউই ব্যাটাররা। ৩ উইকেট খুইয়ে ২০ ওভারে তাঁদের সংগ্রহে আসে ১৯৭ রান। এরপর মাঠ কাঁপাতে নামেন অভিষেক ও বৈভব। তাঁজের কব্জির জোরে বাউন্ডারি পার হয় একের পর এক বল। রানের সুনামির সঙ্গে সঙ্গেই একের পর এক রেকর্ডও ভারতের ঝুলিতে আসতে থাকে। ২.২ ওভারেই ভারতের স্কোর ৫০ রান ছুঁয়ে ফেলে। যা অন্যতম এক বিরল রেকর্ড। বৈভবের ব্যাট থেকে আসে ঝকঝকে ৪৫ রান। অন্যদিকে, অভিষেক ৩৮ বল-এ ১১৩ রান করে।সেঞ্চুরি করেই ধ্যান-মুদ্রা পোজ-এ দেখা যায় অভিষেককে, মুখে তখন ‘শিব’ নামের জপ! সেই ভিডিয়োও ভাইরাল! ৯টি বাউন্ডারি এবং ১১টি ছক্কা ছিল তাঁর এই ইনিংসে। স্ট্রাইক রেট ছিল প্রায় ২৯৮। পরে সঞ্জু,শ্রেয়সরা জয় পর্যন্ত বাকি পথটা এগিয়ে দেন ভারতকে!
ম্যাচ শেষে অভিষেকের কাছে প্রশ্ন যায় তাঁর গুরু যুবরাজের পোস্ট নিয়ে। পোস্টে যুবরাজ, অভিষেককে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন ১২ বল-এ ৫০ রান করার। ২০০৭ সালে যুবি এই কাণ্ডটি ঘটিয়েছিলেন ২২ গজে।শিষ্যকে সেটাই পার করার চ্যালেঞ্জ জনান যুবরাজ। এই চ্যালেঞ্জের কথা শুনে ম্যাচের পর অভিষেক বলেন,‘আমি এটা আগেও বলেছি যে, আমি সত্যিই জানিনা, সেই সময় তিনি(যুবরাজ) কী ধরনের ক্রিকেট খেলতেন! এটা একফোঁটাও সহজ নয়। আমি বলব, কোনও ব্যাটার এমনটা করতে চাইলে, তা সহজ নয়। চলে গেলাম আর ১২ বল-এ ৫০ করলাম, এমনটা সহজ নয়। এটা একবারই হয়।’ বৈভবকে নিয়ে মন্তব্যে অভিষেক বলেন, ‘ ব্যাটার হিসাবে আমরা কেউই মাইলস্টোনের দিকে যাইনা। আমরা সব সময়ই দলকে জেতাতে চাই। বিশেষত বৈভব.. এখানে এসেছে। এটাই আমাদের প্ল্যান ছিল। আমরা পুরো সিরিজটায় এইটাই করে যেতে চেয়েছি, সেটা ভালোভাবে হয়েছে। ’
