বলিউডে পা দিতেই পলকের সঙ্গে ব্রেকআপ করলেন সইফ পুত্র

Spread the love

বি-টাউনের অন্যতম চর্চিত স্টার-কিড জুটি ইব্রাহিম আলি খান (Ibrahim Ali Khan) ও পলক তিওয়ারি (Palak Tiwari)-র প্রেম কাহিনী নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। দীর্ঘ তিন বছর ধরে সম্পর্কের থাকার পর অবশেষে নিজেদের প্রেম কাহিনীর ইতি টেনেছেন তাঁরা। অভিনেতা সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের ২৫ বছর বয়সী পুত্র ইব্রাহিম এবং অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারির ২৬ বছর বয়সী কন্যা পালকের এই হঠাৎ বিচ্ছেদের খবর বলিপাড়ায় সবাইকে চমকে দিয়েছে।

প্রেম ভাঙার সিদ্ধান্ত ও বিচ্ছেদের কারণ:

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে, এই দীর্ঘ তিন বছরের সম্পর্কে ইতি টানার সিদ্ধান্তটি মূলত ইব্রাহিম আলি খানের তরফ থেকেই নেওয়া হয়েছে।

হঠাৎ বিচ্ছেদ: চলতি মাসের শুরুতেই রণথম্বোরে একসাথে টাইগার সাফারিতে দেখা গিয়েছিল এই যুগলকে। ফলে হঠাৎ কেন এই বিচ্ছেদ, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে।

বিচ্ছেদের খবরের জের ধরে এই জুটিকে একসঙ্গে রেখে যে সমস্ত পরিকল্পিত শুটিংয়ের পরিকল্পনা ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে অথবা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। গত বুধবার এক অনুষ্ঠানে পলককে একাই ক্যামেরাবন্দী করেছেন ছবি শিকারীরা।

কেন এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করেননি ইব্রাহিম-পালক?:

বিচ্ছেদ হলেও সামাজিক মাধ্যমে একে অপরকে এখনও ফলো করে যাচ্ছেন দুজনে। সূত্র জানাচ্ছে, খুব শীঘ্রই ইব্রাহিম আলি খানের একটি জনপ্রিয় সেলেব চ্যাট শো-তে বিশেষ পর্ব আত্মপ্রকাশ পেতে চলেছে। নিজের সেই অনস্ক্রিন আত্মপ্রকাশ যাতে বিচ্ছেদের খবরের আড়ালে চাপা না পড়ে যায়, সে কারণেই তাড়াহুড়ো করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করা থেকে বিরত রয়েছেন ইব্রাহিম।

তাঁদের বিচ্ছেদ অত্যন্ত পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই হয়েছে এবং দুজনেই এই বিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো কাদা ছোড়াছুড়িতে জড়াতে চান না। বর্তমানে নিজেদের অভিনয় ও ক্যারিয়ারে মন দিতে চান ইব্রাহিম ও পালক।

চর্চিত ডেটিং ও ওরি বিতর্ক:

২০২২ সালে মুম্বাইয়ের এক রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় গাড়ি থেকে প্যাপারাজ্জিদের দেখে পালকের মুখ লুকানোর দৃশ্য ভাইরাল হতেই ইব্রাহিম-পালকের সম্পর্কের গুঞ্জন প্রথম সামনে আসে। পরবর্তীতে একসাথে ছুটি কাটানো থেকে পারিবারিক অনুষ্ঠানে প্রায়ই দেখা যেত তাঁদের।

এরই মাঝে ২০২৩ সালের শেষের দিকে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ওরি (Orry)-র সাথে পলকের একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ফাঁস হয়, যেখানে ইব্রাহিমের বোন সারা আলি খানের নাম উল্লেখ করে ওরির কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছিল পলককে। অরি সেই ক্ষমা খারিজ করলেও বিতর্কের কারণ স্পষ্ট হয়নি। সম্পর্কের সূত্রপাত বা বিচ্ছেদ— কোনো বিষয়েই অবশ্য এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি ইব্রাহিম বা পলক।

Leave a Reply