শীতকালে দূষণের মাত্রা বাড়ে এবং বিভিন্ন ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ সময়ে শ্বাসকষ্ট, সর্দিকাশি, হাঁপানি এবং সিওপিডির মতো সমস্যা বৃদ্ধি পায়। কোভিড না হলেও তেমনই সব লক্ষণ দেখা দেয় অনেকের। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাদের কম বা অন্যান্য অসুখ রয়েছে, তারাই আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বয়স্করাই রয়েছেন সেই তালিকায়। তাই এ সময়ে বয়স্কদের বিশেষ খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
যেভাবে খেয়াল রাখবেন
সময়মতো ওষুধ খাওয়ানো: বয়স্করা নিয়মিত এবং সময়মতো ওষুধ খাচ্ছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধের ডোজ পরিবর্তন করুন।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা বা অন্যান্য অসুখ থাকলে তাদের সময়মতো চেকআপ করানো উচিত। নিউমোনিয়া এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রতিষেধকও দিয়ে রাখা ভালো।
মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার: বয়স্করা রাস্তায় বের হলে মাস্ক পরেছে কিনা এবং হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করেছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখুন।
ওষুধ ও ইনহেলারের ব্যবস্থা: হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট থাকলে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র এবং ইনহেলার হাতের কাছে রাখুন।
পুষ্টিকর খাবার: আদা, দারুচিনি, হলুদ এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ উপকরণ খাবারে ব্যবহার করুন। আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, কাঁচা হলুদ ফুটিয়ে পানীয় তৈরি করে লেবু মিশিয়ে চায়ের মতো খাওয়াতে পারেন, এতে উপকার পাবে।
গরম জলে স্নান: সারা বছরই গরম জলে স্নান করাতে হবে বয়স্কদের।
শরীরচর্চা এবং যোগব্যায়াম: নিয়মিত হালকা শরীরচর্চা এবং শ্বাসের ব্যায়াম করাতে হবে। বয়স্কদের উপযুক্ত ব্যায়ামের জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
শারীরিক পরীক্ষা: নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করার পরিমাণ, ট্রাইগ্লিসারাইড ইত্যাদি পরীক্ষা করান এবং এগুলো সঠিক মাত্রায় আছে কিনা, সেদিকে নজর দিন।