প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে রফতানিতে রেকর্ড গড়ল ভারত। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং দাবি করেছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের রফতানির অঙ্কটা ২৩,৬২২ কোটি টাকা ছুঁয়ে ফেলেছে। যা ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের থেকে ১২.০৪ শতাংশ বেশি তো বটেই। সেইসঙ্গে ইতিহাসে কখনও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের রফতানির অঙ্কটা এরকম স্তরে পৌঁছায়নি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গত অর্থবর্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির রফতানি বেড়েছে ৪২.৮৫ শতাংশ। আর সেটা থেকেই প্রমাণ মিলছে যে বিশ্ব বাজারে ভারতীয় সামগ্রীর গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেইসঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানিকারী দেশগুলির সঙ্গে ভারত যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ছে, সেটারও প্রমাণ মিলছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে। ই বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, আগে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য অন্যান্য দেশের উপরে নির্ভর করত ভারত। ছিল আমদানি-নির্ভর। সেখান থেকে ভারত এখন আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। দেশেই তৈরি করা হচ্ছে অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম। শুধু তাই নয়, গত অর্থবর্ষে প্রায় ৮০টি দেশে বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র, সিস্টেম, অস্ত্রের সরঞ্জামের মতো জিনিস রফতানি করা হয়েছে।
রাজনাথ দাবি করেছেন, ২০২৯ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে রফতানির অঙ্কটা ৫০,০০০ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারতে রফতানির অঙ্কটা ছিল ২১,০৮৩ কোটি টাকা। সেইসঙ্গে এই ‘উল্লেখযোগ্য’ সাফল্যের জন্য ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের রফতানির সঙ্গে যুক্ত সবপক্ষের পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন রাজনাথ।
আর সেই রেকর্ড তৈরির বিষয়টিকে ‘গর্বের মাইলস্টোন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘আত্মনির্ভরতার পথে এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বের নেতৃত্বদানের পথে এটা নিঃসন্দেহে একটা গর্বের মাইলস্টোন।’