Bangladesh on Extremism। ‘বাংলাদেশে উগ্রপন্থা’ নিয়ে বড় দাবি ভারত ভাগ করতে চাওয়া উপদেষ্টার

Spread the love

বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থার শঙ্কা প্রকাশ করে সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল নিউইয়র্ক টাইমস। সেই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সরকারের ‘কান লাল’ হয়েছিল। যদিও নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টকে তারা খারিজ করে দিয়েছিল। এই আবহে বড় মন্তব্য করলেন বাংলাদেশি উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তাঁর কথায়, ‘বাংলাদেশে কোনও ভাবেই উগ্রপন্থাকে স্থান দেওয় হবে না।’ 

মাহফুজ আলম বলেন, ‘মহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্ব বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরের জন্য আমরা কাজ করছি। নির্বাচনের মাধ্যমে যাতে যথাসময়ে আমরা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরিত করতে পারি, সেটাই হচ্ছে আমাদের একমাত্র চাওয়া। কোনওভাবেই উগ্রপন্থার অবস্থান বাংলাদেশে হবে না। আমরা যদি দেখি যে আলোচনা এবং সতর্কতার মাধ্যমে সমাধান হচ্ছে না, তাহলে শীঘ্রই কঠোর অবস্থানে যাব। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনেকেই সুযোগ পেয়েছেন। কেউ সুযোগের সদ্ব্যবহার না করে দুর্ব্যবহার করলে আমরা অবশ্যই হার্ডলাইনে যাব।’

উল্লেখ্য, এর আগে ভারতের একাধিক রাজ্য মিলিয়ে ‘অখণ্ড বাংলাদেশ’ গড়ার ডাক দিয়েছিলেন মাহফুজ। তাঁর সেই পোস্ট ঘিরে অবশ্য বিতর্ক শুরু হয়েছিল বাংলাদেশেই। মহম্মদ ইউনুসের ‘ডান হাত’ হিসেবে পরিচিত এই মাহফুজ আলম। তাঁকে এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্লিন্টন ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে নিয়ে গিয়েছিলেন ইউনুস। মাহফুজকেই ‘বিপ্লবের মাথা’ আখ্যা দিয়েছিলেন ইউনুস। বর্তমানে মাহফুজ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা তিনি।

এর আগে মাহফুজের সেই বিতর্কিত পোস্টে লেখা ছিল, ‘বিজয় এসেছে, তবে সামগ্রিক নয়। মুক্তি এখনও বহুত দূরে। হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত জনপদ পুনরুদ্ধার ব্যতিত পোকায় খাওয়া পূর্ব পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশ নিয়ে আমরা মুক্তিকে ছুঁতে পারব না। এ রাষ্ট্রের জন্মদাগ তথা ভারত নির্ভরতা ও ভারতের আধিপত্য মুক্ত রাখতে ৭৫ আর ২৪-র ঘটনা ঘটাতে হয়েছে। দুই ঘটনার ব্যবধান ৫০ বছর। কিন্তু আদতে কিছুই পরিবর্তন হয়নি। নতুন ভূগোল ও বন্দোবস্ত লাগবে। একটি খণ্ডিত ভূমি, একটা জন্মদাগ নেওয়া রাষ্ট্র দিয়ে হয় না।’ এরপর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি, সেভেন সিস্টার্স অর্থাৎ ত্রিপুরা, মণিপুর সহ উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিকে দখল করে অখণ্ড বাংলা তৈরির কথা বলেছিলেন মাহফুজ আলম। তাঁর দাবি ছিল, এই ম্যাপ তৈরি না হলে পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন হবে না। পরে অবশ্য বিতর্কের মুখে নিজের সেই পোস্ট মুছে দিয়েছিলেন মাহফুজ আলম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *