তসলিমা নাসরিন তাঁর বইয়ের মতোই সমাজ মাধ্যমের পাতাতেও স্পষ্ট কথা, নিজের যা বক্তব্য সেটাকে অকপটে তুলে ধরেন। এদিনও তার অন্যথা হল না। এদিন তিনি হুমায়ূন আহমেদের মেয়ে শীলা আহমেদকে কটাক্ষ করেন। অভিনয় ছেড়ে তিনি বর্তমানে গৃহবধূ। পরেন হিজাব।
শীলাকে নিয়ে কী লিখলেন তসলিমা?
এদিন তসলিমা নাসরিন শীলা আহমেদ এবং তাঁর স্বামীর একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে শীলাকে ফুল স্লিভ ব্লাউজ, শাড়ির সঙ্গে হিজাব পরে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর স্বামীর পরনে পঞ্জাবি পায়জামা। এই ছবিটির ক্যাপশনে তসলিমা লেখেন, ‘মেয়েটাকে দেখলেই আমার দুঃখ লাগে। অসম্ভব প্রতিভা ছিল অভিনেত্রী হওয়ার, কিন্তু সমস্ত প্রতিভা বিসর্জন দিয়ে এক শঠের গৃহবধূ হয়েছেন। ধর্মমুক্ত একজন প্রতিভাবান লেখকের কন্যা তিনি, অথচ চুল ঢাকেন হিজাব দিয়ে, এমন কী ফুলহাতা ব্লাউজ পরেন। মনে হচ্ছে নিজের রুচি, সৌন্দর্যবোধ, নীতি, আদর্শ বিসর্জন দিয়ে মামলা ব্যবসায়ী ধর্মবাদীর আদেশ মেনে চলছেন। হাজিটির কিন্তু মাথায় টুপি নেই, মুখে দাড়ি নেই। হাজিটির জীবন কিন্তু যেমন ছিল তেমনই আছে। গায়ে বাড়তি কিছু চাপাতে হয়নি, প্রতিভাও বিসর্জন দিতে হয়নি।’
তিনি এদিন আরও লেখেন, ‘এভাবে যে কত লক্ষ গুণী বিদুষী প্রতিভাময়ীকে এই সমাজ বুবস আর ভ্যাজাইনাতে রিডিউস করেছে।’
কে কী বলছেন?
এক ব্যক্তি লেখেন, ‘হুমায়ূন আহমেদ ধর্ম মুক্ত? তার ছেলে নুহাশ আহমেদের লেখায় হুমায়ূন আহমেদের ইদ স্মৃতি উঠে আসে। তখন হুমায়ূন শাওনকে বিয়ে করে নিয়েছন। আর উনার মরার পর জানাজাও তো হয়েছে। তাহলে কীভাবে ধর্মমুক্ত?’ আরেকজন লেখেন, ‘এই মেয়েটার কিভাবে ব্রেইন ওয়াশ হল বুঝে পাই না। ওকে দেখলে মায়াই হয়। এতো প্রতিভা! মনে হয় আগুনে ঝাপ দিয়েছে জেনে বুঝে।’ তৃতীয় জনের কথায়, ‘শীলা আহমেদ আর শীলা আহমেদ নেই, সে এখন মিসেস আসিফ নজরুল। যদিও সত্যিই শীলার অভিনয় দূর্দান্ত ছিল’