গত সপ্তাহেই হয়ে যাওয়ার কথা ছিল ইন্ডিয়া আইডলের(Indian Idol) গ্র্যান্ড ফিনালে। যদিও দেখা যায়, তা পিছিয়ে যায়। ৫-৬ এপ্রিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে শ্যুট। এমনকী, ইন্ডিয়ান আইডলের মঞ্চ ছেড়ে, বিজেতারা ফিরেও গিয়েছেন নিজ নিজ শহরে। আর ফ্যানপেজগুলির দৌলতে ফাঁস হয়ে গিয়েছে বিজেতাদের নামও।
গুঞ্জন, মানসী ঘোষের হাত ধরে প্রথমবার ট্রফি এসছে বাংলায়। দমদম পাইকপাড়ার মেয়ের হাতে উঠেছে এই মিউজির রিয়েলিটি শো-র ট্রফি। আর সবচেয়ে উত্তেজক খবর হল, দ্বিতীয় স্থানাধিকারীও বাংলা থেকে, আর তিনি হলেন খড়গপুরের ছেলে শুভজিৎ। ‘পানওয়ালা’ ফার্স্ট রানার আপ। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছেন স্নেহা শঙ্কর। যদিও চ্যানেল বা প্রতিযোগীদের তরফে, এই খবরে এখনো কোনো সিলমোহর মেলেনি।
ইন্ডিয়ান আইডলের ফাইনাল:
এবারের ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৫ এর টপ ৬ ফাইনালিস্টদের মধ্যে ৩ জনই ছিলেন বাঙালি। দিন দুই আগেই, এই ৩ তারকার শহরে ফেরার খবর মিলেছিল। মানসী ঘোষ একটি ছবি শেয়ার করেন সমাজমাধ্যমে। সেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি এবং শুভজিৎ চক্রবর্তী পাশাপাশি বসে। আর তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে ভিক্টরি সাইন দেখাচ্ছেন প্রিয়াংশু দত্ত। আর ছবিটি তোলা হয়েছে প্লেনের ভিতরে।
প্রসঙ্গত, সেরা ৬-এ উঠেছিলেন শুভজিৎ চক্রবর্তী, মানসী ঘোষ, চৈতন্য দেবাদে, অনিরুদ্ধ সুসওয়ারাম, স্নেহা এবং প্রিয়াংশু দত্ত।
মানসী ঘোষ ও শুভজিৎ চক্রবর্তী সম্পর্কে:
এর আগে সুপার সিঙ্গার সিজন ৩-এ অংশ নিয়েছিলেন মানসী। কলেজে পড়াকালীনই গানের এই রিয়েলিটি শো-তে ভাগ নেন। এবং সেখানে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মানসী। আর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য যদি সঠিক হয়, তবে এবার স্বপ্নপূরণে স্বার্থক হয়েছেন মানসী। নিশ্চিত জানতে, রবিবার অবধি অপেক্ষা করতেই হবে।
অন্য দিকে খড়গপুরের ছেলে শুভজিৎ। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর বেড়ে ওঠা। বাবা গান করেন, বাবার কাছেই প্রাথমিকভাবে গান শেখেন শুভজিৎ। করোনা চলাকালীন পরিবার চালাতে একটা পানের দোকানও খুলেছিলেন তাঁর বাবা। এমনকী, ইন্ডিয়ান আইডলেও সবাইকে পান খাইয়ে চমকে দিয়েছেন তিনি। শুভজিত নিজে যেমন মাটির মানুষ, তেমনই তাঁর গানও। অনায়াসে যে কোনো মেঠো সুরকে মিলিয়ে দিতে পারেন, বলিউডি গানের সঙ্গে। ইতিমধ্যেই ‘মোস্ট ভার্সাটাইল’-এর খেতাব পেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষালের থেকে।