Abandoned Voter Cards beside NH। জাতীয় সড়কের পাশে পড়ে শতাধিক ভোটার কার্ড

Spread the love

এসআইআর প্রক্রিয়ার মাঝেই নদিয়ার শান্তিপুরে আবর্জনার স্তূপ থেকে উদ্ধার হল বহু ভোটার কার্ড। জানা গিয়েছে, ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হয় ভোটার কার্ডগুলি। সেই কার্ডগুলির মধ্যে অধিকাংশগুলোতেই উত্তর ২৪ পরগনার ঠিকানা রয়েছে। জানা গিয়েছে, স্থানীয়দের নজরে প্রথমে এই কার্ডগুলি পড়ে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। এরপর পুলিশ এসে কার্ডগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সড়কের পাশে পড়ে থাকা বস্তা ছেঁড়া ছিল। এই আবহে স্থানীয়দের নজরে পড়ে, সেই বস্তার ভিতরে রয়েছে ভোটার কার্ড। স্থানীয়রা দাবি করছেন, সেই বস্তায় শতাধিক কার্ড আছে। এছাড়াও কাজপত্রও ছিল সেই বস্তায়। উল্লেখ্য, ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়েই আগামিকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে যাবেন জনসভায় বক্তৃতা দিতে।

এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলায় ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের আবহে এখনও পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৫৭ লাখেরও বেশি ভোটারের নাম। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই তথ্যই জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। যত দিন যাচ্ছে, ততই এই সংখ্যাটা বাড়ছে। রিপোর্টে দাবি করা হল, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজ্যে আনকালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ১ হাজার ৫৪৮। প্রসঙ্গত, মূলত চারটি ক্ষেত্রে একটি ফর্ম ‘আনকালেক্টবল’ থাকে। যদি কোনও ভোটারের মৃত্যু হয়ে থাকে, দ্বিতীয়ত যদি কোনও ভোটারের দুই জায়গায় ভোটার কার্ড থাকে, তৃতীয়ত যদি কোনও ভোটার নিখোঁজ থাকেন এবং চতুর্থ হল যদি কোনও ভোটার পাকাপাকিভাবে অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়ে যান।

এখনও পর্যন্ত আনকালেক্টবল ফর্মের তথ্য থেকে জানা গিয়েছে মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ আট হাজার ৫৭৪। এছাড়া স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮০ হাজার ৩৯৩, নিখোঁজ ভোটার ১১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৪৩, ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ২৩২, এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে আনকালেক্টবল ফর্মের সংখ্যা ৫০ হাজার ৭০৬। এদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও বেশ কিছু জায়গায় আনকালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা আপলোড করা হয়নি। এই আবহে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হতে হতে আনকালেক্টবল ফর্মের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *