আপাতত সাধারণ মানুষ থেকে তারকা, সকলেই মজে আছেন গিবলিতে। আর বাদ গেলেন না সারেগামাপা-র ফাইনালিস্ট আরাত্রিকা সিনহাও। তিনি গিবলি অবতারে হাজির হলেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। তবে তাঁর পাশে দেখা মিলল এক পুরুষেরও। স্বাভাবিকভাবেই বোঝার উপায় নেই, কার সঙ্গে দাঁড়িয়ে এই মিরর সেলফিটি তোলেন বাঁকুড়ার ভাদুলের মেয়ে।
তবে একেবারেই বোঝার উপায় নেই, এমনটা নয়। কারণ তাঁর পাশে থাকা মানুষটাকে ট্যাগ করে দিয়েছেন আরাত্রিকা। আর তিনি হলেন, সৌম্যব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি নিজেও একজন মিউজিসিয়ান। যুক্ত ছিলেন সারেগামাপা-র সঙ্গে। এমনকী, সারেগামাপা-র ব্যাকস্টেজে আরাত্রিকার সঙ্গে একটি ছবিও দেখা গেল তাঁর।
স্বাভাবিকভাবই তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা কম থাকে না! আরাত্রিকার ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। তবে গায়িকা নিজে অন্তত কোনো কিছু লেখেননি। একটি সানফ্লাওয়ার ইমোটিকন দিয়ে তিনি ট্যাগ করেছেন @_banerjeebabuকে। আর সেটি রিশেয়ার করে @_banerjeebabu দিয়েছেন রেড হার্ট ইমোজি।
সারেগামাপা-র মতো স্টেজে গণসংগীত দিয়ে যে কেউ হাজার হাজার মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব, তা বোধহয় কেউ স্বপ্নেও ভাবেননি। কিন্তু আরাত্রিকা করে দেখিয়েছেন। ছোট থেকেই তাঁর গানের পরিবেশে বড় হওয়া। বাবা-দাদুর সঙ্গে যেতেন বামেদের জমায়েতে। পরিবেশন করতেন গণসংগীত। দাদুর স্বপ্নপূরণেই তিনি আসেন সারেগামাপা-তে।
যদিও গানের এই রিয়েলিটি শো-তে আধুনিক বাংলা গান থেকে, বলিউডি গান, রবীন্দ্রসংগীত, লোকগীতি, সব ধরনের গানই শোনা গিয়েছিল তাঁর গলাতে। এমনকী, ভালোবেসে তাঁকে দেওয়া হয় ‘খুদে কমরেড’ খেতাবও। যদিও আরাত্রিকার বাবার দাবি, বামযোগের কারণে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও একাধিক জায়গা থেকে বাদ পড়েছিলেন আরাত্রিকা। এমনকী, বাঁকুড়া বইমেলাতেও গাইতে দেওয়া হয়নি তাঁর মেয়েকে।আরাত্রিকা এই ‘খুদে কমরেড’ ট্যাগ প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, ‘এই ট্যাগটা আমার আগে খুব ভালো লাগত। মনে হত, বাহ আমাকে ‘খুদে কমরেড’ বলছে। তবে এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ব্যাপারটা একটু নেগেটিভ দিকে যাচ্ছে অবশ্যই। এক কোণে করে দেওয়ার একটা বিশাল বড় প্রবণতা তৈরি হচ্ছে, এই ‘খুদে কমরেড’ ট্যাগ লাইনটা ব্যবহার করে করে।’
‘আমি শিল্পী। এটাই আমার প্রথম ও শেষ পরিচয়। মানুষ কীভাবে আমাকে রিপ্রেজেন্ট করছে, সেটা মানুষের উপরে। আমাকে যতবার এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে, আমি এটাই উত্তর দেব যে, আমি শিল্পী। আমি মানুষের জন্য গান গাই।’, আরও বলেছিলেন আরাত্রিকা।