Bangladesh Student Leader Update। হিন্দিতে খুনের হুমকি! দাবি ইউরেনিয়াম নিয়ে মাতামাতি করা বাংলাদেশি বিল্পবীর

Spread the love

ইউরেনিয়াম নিয়ে মাতামাতি করা বাংলাদেশি বিল্পবী মোসাদ্দেক আলিকে নাকি হিন্দি ভাষায় খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাহিত্য সম্পাদক পদে রয়েছেন এই মোসাদ্দেক। গভীর রাতে ফোন করে তাঁকে নাকি এই খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মোসাদ্দেক বলেন, তাঁকে নাকি ফোন করে হিন্দি এবং বাংলা ভাষায় তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। যদিও তিনি আবার দাবি করেন, ফোনে তাঁকে ঠিক কী বলা হয়েছে, তা তিনি পুরোটা বুঝতে পারেননি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতার দাবি, রাতে ১টা ৩৮ মিনিটে তাঁকে এই হুমকি ফোন করা হয়েছিল। মোসাদ্দেক দাবি করেন, তাঁকে ভারতীয় নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল। সেই ফোন হোয়াটসঅ্যাপ থেকে করা হয়েছিল। এবং ফোনে অনেকে মিলে নাকি তাঁকে হুমকি দিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, যে নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন গিয়েছিল, সেই নম্বরটি ‘কমরেড’ নামে ছিল। এবং সেই নম্বরের ডিসপ্লে পিকচারে ছিল চে গুয়েভারার ছবি।

উল্লেখ্য, বিগত দিনে বাংলাদেশ এবং ভারতে এক পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন মোসাদ্দেক। উল্লেখ্য, এর আগে হাদি মৃত্যুর পর এই মোসাদ্দেক ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন ভবনের একেকটা ইট খুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। আর রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মোসাদ্দেক বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ম নিয়ে সবচেয়ে বেশি হুমকি আসছে ভারত থেকে। তারা কথায় কথায় বলছে যে আমাদের পারমাণবিক বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেবে। কিন্তু তারা জানে না, বাংলাদেশের কুলাউড়া পাহাড়ে যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম আছে, সেটা যদি আমরা উত্তোলন করতে পারি, ভারতকে অসংখ্যবার ধ্বংস করে দেওয়া যাবে। কিন্তু আমরা কোনও ধ্বংস চাই না। আমরা চাই এমন এক সরকার, যারা মৌলভীবাজারের এই কুলাইড়া পাহাড় থেকে ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হবে।’

এরপর ডাকসু নেতা আরও বলেছিলেন, ‘প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বছর আগে এই ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সরকার সেই ইউরেনিয়াম তোলার বিষয়ে সাহস করতে পারেনি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে যে সরকার গঠন করবে, তাদের যেন মেরুদণ্ড থাকে, তারা যেন সেই ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হয়। একটা কথা আছে, প্রতিবেশী কখনও বন্ধু হয় না। কারণ প্রতিবেশী যদি বন্ধু হত, তাহলে সে প্রতিবেশী থাকত না, এক পরিবার হয়ে যেত। সীমানা থাকত না, কাঁটাতার থাকত না। সীমানা দিয়ে আলাদা করে মানচিত্র চিহ্নিত করার প্রয়োজন পড়ত না। বন্ধু হলে তো সব মানচিত্র এক হয়ে যেত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকতে পারে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। তারা যদি আমাদের বিষয়ে ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত করে, তাহলে চক্রান্তের জবাব চক্রান্ত দিয়ে দিতে হবে। ষড়যন্ত্রের জবাব ষড়যন্ত্র দিয়ে দিতে হবে।’ এত বড় বড় কথা বলা ছাত্রনেতা অবশ্য নিজের দেশের জাতীয় সঙ্গীতটাই ঠিক করে গাইতে পারেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *