Bangladeshi Student Leader in Delhi। থানায় বসে হিন্দু নিধনের কথা স্বীকার করা বাংলাদেশি ‘বিপ্লবী’

Spread the love

থানায় বসে ক্যামেরার সামনে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করেছিল ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আবার গ্রেফতারির একদিন পরই জামিনও পেয়ে যায় সে। এই মেহদির বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছিল। এহেন মেহেদি এসেছে ভারতে। ১৭ ফেব্রুয়ারি এই মেহেদিকে দেখা গিয়েছিল দিল্লির ভিএফএস সেন্টারে। সেখানেই তার ভিডিয়ো রেকর্ড করা হয়। এরপরই নাকি তাকে ফোন করে অনেকে হুমকি দিয়েছে। এদিকে মেহেদি জানায়, ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা পেতে দিল্লিতে গিয়েছিল সে। এদিকে বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকি পেয়ে সে নাকি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে মেহেদি বলে, ‘আমি খুব ভয়ে আছি। কে বা কারা আমাকে অনুসরণ করছে আমি কিছু বুঝতে পারছি না। হোটেলে ফেরার পর আমি আর বের হইনি। কয়েকবার দরজায় কেউ নক দিয়েছে। আমি খুলিনি।’ এদিকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনকে বিষয়টি তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভের সময় হিন্দু পুলিশ অফিসারকে জ্বালিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল বাংলাদেশি ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এই মেহদি। কয়েকদিন আগে থানায় বসেই পুলিশ আধিকারিককে হুমকি দেয় এই বিপ্লবী নেতা। সেই সময়ই ২০২৪ সালের অগস্টের ঘটনার ‘দায় স্বীকার’ করে সে। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে সেই ছাত্রেতাকে।

জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সদস্যকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়াতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়েছিল মেহেদি। সেখানে সে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে আঙুল উঁচিয়ে শাসায়। বলে, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। এই আবহে মেহদিকে শোকজ নোটিশ পাঠান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দফতর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন। পরে মেহদিকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা। যদিও সে ছাড়া পেয়ে যায়। এখন সে ফিনল্যান্ডে যাওয়ার জন্য ভারতে এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *