Bengal Budget 2026 Announcements। শুধু ভাতা নয়! বাজেটে ৫ MSME পার্ক তৈরি

Spread the love

ভাতা থেকে ভেট- বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করা হল, তাতে মুক্তহস্তে দান করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীদের বেকার ভাতা, লক্ষ্মীর ভান্ডারে অনুদান বৃদ্ধি, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন কমিশনের মতো একগুচ্ছ জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাছাড়াও আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন।

বাজেট ভাষণে কী কী বললেন অর্থমন্ত্রী?

১) আমাদের রাজ্যে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষকে প্রতি বছর গঙ্গার ভাঙন থেকে রক্ষা করার জন্য ভাঙন রোধে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু সমস্যাটির একটি চিরস্থায়ী সমাধান আশু প্রয়োজন। এজন্য, সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্য ও পরামর্শ নিয়ে একটি সার্বিক পরিকল্পনা রূপায়ণ করতে চলেছে।

২) রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে ৬টি ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইকনমিক করিডর’ তৈরি করার কাজ হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের পরিকাঠামো গঠনে যৌথ অংশগ্রহণ করার জন্য নামী আর্থিক সংস্থা প্রস্তাব দিয়েছে। এই পরিকাঠামো দ্রুত গঠনের সঙ্গে সঙ্গে শিল্প সংস্থাগুলি বিনিয়োগ করবে এবং রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

৩) আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, আরও কর্মসংস্থানের প্রয়াসে জলপাইগুড়ি জেলায় দুটি এবং বীরভূম, বাঁকুড়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় একটি করে মোট পাঁচটি নতুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প পার্ক (MSME) স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৪) এছাড়াও রাজ্যে সরকারি জমিতে যৌথ উদ্যোগে একটি উচ্চমানের ‘গ্লোবাল ট্রেড সেন্টার’ গড়ে তোলা হবে।

৫) রাজ্যে খেলাধুলোর উন্নতির জন্য হাওড়ার ডুমুরজলাতে ইতিমধ্যে একটি ‘স্পোর্টস সিটি’ তৈরি করা হচ্ছে। এবার কলকাতার উপকণ্ঠে বারুইপুরে ইতিমধ্যে টেলি অ্যাকাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে এই অ্যাকাডেমিকে কেন্দ্র করে একটি ‘সংস্কৃতি শহর’ বা ‘কালচারাল সিটি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

৬) আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের রাজ্যের অনেকগুলি শহরকে আধুনিক করে গড়ে তোলার জন্য সরকার একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এর ফলে শহরগুলি ব্যবসা, পরিবেশ ও কর্মসংস্থান-বান্ধব হবে এবং সেখানে আধুনিক জীবনের সুযোগসুবিধা থাকবে, যেখানে ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারের (পরিকাঠামো)বড় ভূমিকা থাকবে।

বর্তমানে হাওড়া, ডায়মন্ড হারবার, বর্ধমান, দুর্গাপুর, বোলপুর, কৃষ্ণনগর, বারাসত, রায়গঞ্জ, শিলিগুড়ি, বহরমপুর, মালদা, কল্যাণী, শ্রীরামপুর, অণ্ডাল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দিঘা, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নিউটাউনের এনকেডিএ এলাকা, গঙ্গারামপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং শহরের জন্য এই আধুনিকীকরণ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অসুবিধা না ঘটিয়ে কীভাবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন সম্ভব, তা খতিয়ে দেখতে সরকার একটি কমিটি গঠন করবে। এই কমিটি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সার্ভের কাজ শেষ করে রিপোর্ট প্রদান করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *