Content Creators in Budget 2026। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদেরই বাজার! ১৫,৫০০ স্কুল-কলেজে বিশেষ ল্যাব

Spread the love

২০২৬ সালের বাজেট ‘যুবশক্তি’চালিত। এমনটাই জানিয়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বিরাট ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এখন অনেকেই অ্যানিমেশন, গেমিং-সহ এই ধরনের নানা বিষয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েট করে অর্থ রোজগার করেন। তাই দেশের যুবদের সোশ্যাল মিডিয়ায় কেরিয়ার গড়তে সুযোগ করে দিতে কেন্দ্রীয় বাজেটে ১০ হাজার কোটির বিশেষ বরাদ্দর ঘোষণা করেছেন নির্মলা সীতারামন। এর মাধ্যমে জেন-জি-দের উৎসাহ দিয়ে সংসদে নজির গড়ল সরকার, এমনটাই মত বিশ্লেষকদের।

সোশ্যাল মিডিয়া ও যুব সমাজ

রবিবার সংসদে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিস-এর সহায়তায় দেশের ১৫,০০০টি মাধ্যমিক স্কুল এবং ৫০০টি কলেজে এভিজিসি অর্থাৎ, অ্যানিমেশন, ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস, গেমিং ও কমিক্স ল্যাব স্থাপন করা হবে। এছাড়াও দেশের স্কুল ও কলেজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। নির্মলা সীতারামন বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ২০ লক্ষ যুব নাগরিকের কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এর পাশাপাশি, ভিজ্যুয়াল ডিজাইনিংয়ে যুবসমাজকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য একটি নতুন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্থাপনের প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভারতের ডিজাইন শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, কিন্তু দেশে দক্ষ ডিজাইনারের ঘাটতি রয়েছে। তাই চ্যালেঞ্জ রুটের মাধ্যমে পূর্ব ভারতের জন্য একটি নতুন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডিজাইন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব রাখছি, যা ডিজাইন শিক্ষা ও উন্নয়নকে আরও গতি দেবে।’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অর্থনীতি

কেন্দ্রীয় বাজেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন প্রযুক্তিগুলিকে অর্থনীতির জন্য শক্তি বৃদ্ধিকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। উন্নত ইন্টারনেট এবং পরিকাঠামোর জন্য ১২.২ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যা দেশের ইন্টারনেট সংযোগ এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করবে। এদিন অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, সরকারি পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা উন্নত করার জন্য এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করা হবে। এআই এবং গভীর প্রযুক্তিতে গবেষণা বৃদ্ধির জন্য আইটি এবং এইআইএসসি-তে ১০,০০০ নতুন টেক ফেলোশিপ চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ৪০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০’ চালু করা হয়েছে। সরকার উন্নত উৎপাদনের জন্য একটি নতুন নীতি প্রস্তাব করেছে, যা বিশেষ করে ডিপ-টেক, রোবোটিক্স এবং এআই স্টার্টআপগুলিকে প্রণোদনা প্রদান করবে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রযুক্তিকে একীভূত করার জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার ‘বায়োফার্মা শক্তি’ প্রকল্প চালু করা হয়েছে, যার ফলে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা বাস্তুতন্ত্র শক্তিশালী হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *