শিলাবৃষ্টি, নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়- এপ্রিলে এমনই সব পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হল। বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এপ্রিলে বঙ্গোপসাগরে একটি বা দুটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। একটি আবার পরিণত হতে পারে গভীর নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে। যদিও সেটা হবে কিনা, তা এখনই হলফ করে বলা যাবে না।
সেইসঙ্গে বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এপ্রিলে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টি হবে। পাঁচদিন থেকে সাতদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। হতে পারে শিলাবৃষ্টি। একদিন থেকে তিনদিন আবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। অর্থাৎ কালবৈশাখীর সম্ভাবনা আছে।
যদিও সেই যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে, সেটার কোনও প্রভাব পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতে পড়বে কিনা, সে বিষয়ে আপাতত ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে কিছু জানানো হয়নি। মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, এপ্রিলে ভারতে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক (দীর্ঘকালীন গড়ের ৮৮ শতাংশ থেকে ১১২ শতাংশ) থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের কয়েকটি অংশে স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশিই হতে পারে বৃষ্টি।
পশ্চিমবঙ্গে এপ্রিলে কেমন বৃষ্টি হবে? ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির বেশিরভাগ অংশে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টির আশঙ্কা আছে। দক্ষিণবঙ্গের হাতেগোনা কয়েকটি জায়গায় স্বাভাবিক বৃষ্টি হতে পারে।
তারইমধ্যে বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম; বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমান এবং শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি বা দুটি অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হবে।