ফরিদাবাদে বিস্ফোরক উদ্ধারকাণ্ডে ধৃত মুজ্জামিল সম্পর্কে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছিল যে, জঙ্গি মডিউলের অন্যতম সদস্য মুজ্জামিলের সঙ্গে সেই গোষ্ঠীরই ড. শাহিন সইদের বিয়ের তথ্য সামনে আসে। এরপর আজ শুক্রবার জানা গিয়েছে, ফরিদাবাদে মুজাম্মিলের আরও দুটি গোপন ডেরার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এদিকে, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার হয়েছে একজন ১৯ বছর বয়সী যুবক।
সদ্য ফরিদাবাদে মুজাম্মিলকে নিয়ে গিয়ে সেখানে ঘটনাস্থল ঘিরে কিছু তদন্ত করে পুলিশ। এদিকে, মুজাম্মিলকে জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, ফরিদাবাদে মুজাম্মিলের ২ টি ডেরা ছিল। ফরিদাবাদের খোরি জামালপুর গ্রামের জুম্মা খান থেকে একটি বাড়ি মুজাম্মিল ভাড়া নিয়েছিল। সেখানে সে ফলের ব্যবসা করবে বলে বাড়িটি ভাড়া নেয়। অন্যদিকে, আরও একটি স্থানীয় জমিতে সে একটি ছোট ঘর বানিয়ে ছিল। জমিটি এক কৃষকের জমি ছিল। আল ফালাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে খোরি জামালপুর গ্রামের প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জুম্মা খানের যে বাড়িটি মুজাম্মিল ভাড়া নেয়, সেটিতে তিনটি বেড রুম ও একটি রান্নাঘর ছিল। মুজাম্মিল, জুম্মাকে জানায় যে, সে কাশ্মীরি ফল বিক্রি করতে চায়, আর সেকারণেই সে বাড়িটি ভাড়া চায়। জানা গিয়েছে, কাঁচা মালের কারখানার উপরে তৈরি ঘরে থাকত মুজাম্মিল। এপ্রিল থেকে জুলাি মাসের মধ্যে সে সেখানে থেকেছে মাসে ৮ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে। সদ্য এনআইএ জুম্মাকেও প্রশ্ন করে। জেরায় জুম্মা জানায় একটা সময়ের পর মুজাম্মিল তাঁকে জানায় যে, গরমের জন্য সে সেখানে কাশ্মীরি ফলের ব্যবসা চালাতে পারছে না। মুজাম্মিলকে আগে থেকে জুম্মা চিনত না বলে জানিয়েছে।

এদিকে, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে নেমে জম্মু ও কাশ্মীরে এক ১৯ বছরের যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের সঙ্গে পাকিস্তানি হ্যান্ডেলারের যোগ থাকতে পারে। এমনই সন্দেহ রয়েছে পুলিশের। কাশ্মীরের রিয়াসির বাসিন্দা ওই যুবক, জম্মুতে ভাতিন্ডিতে থাকছিল। প্রাথমিক তদন্ত বলছে, এই যুবককে অনলাইনে উগ্রপন্থার পাঠ দেওয়া চলছিল পাকিস্তানের দিক থেকে। তার ফোনে যে সমস্ত নম্বর পাওয়া গিয়েছে, তা পাকিস্তান সহ বিশ্বের নানান দেশের।