Iranian Army officer Trolls Trump। ‘নিজের সাথেই নিজে আলোচনা করছেন নাকি?’

Spread the love

ট্রাম্পকে ট্রোল করলেন ইরানের এক শীর্ষস্থানীয় সামরিক মুখপাত্র। প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প প্রশাসন চুক্তির জন্য ইরানকে ১৫ দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রস্তাব দিয়েছে। এই আবহে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি বলেন, ‘তিনি কি নিজের সাথেই আলোচনা করছেন?’ ট্রাম্পকে উপহাস করে ইরানি সামরিক আধিকারিক বলেন, ‘আপনি আমেরিকার যে কৌশলগত শক্তির কথা বলতেন তা কৌশলগত ব্যর্থতায় পরিণত হয়েছে। যারা নিজেদের বৈশ্বিক পরাশক্তি বলে দাবি করে, তারা জগাখিচুড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে মরিয়া। পরাজয়কে একটি চুক্তি হিসাবে সাজিয়ে নেবেন না। আপনাদের ফাঁকা প্রতিশ্রুতির যুগের অবসান হয়েছে।’

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ইরানি নেতৃত্বের ‘ভালো মানুষদের’ সঙ্গে আলোচনা করছেন। নিউইয়র্ক টাইমস মঙ্গলবার একটি প্রতিবেদনে বলেছে যে ১৫ দফা পরিকল্পনাটি ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাম্পের সেই পরিকল্পনায় কী আছে? যদিও সম্পূর্ণ নথিটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে এই ১৫ দফা পরিকল্পনার কাঠামো তিনটি প্রধান দাবির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এতে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করা, নাতাঞ্জ, ফোর্ডো এবং ইসফাহানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্রগুলি বন্ধ করা এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া।

এরই সঙ্গে হামাস, হিজবুল্লা বা হুথির মাধ্যমে ‘ছায়াযুদ্ধ’ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে ইরানকে। এই সব গোষ্ঠীদের অর্থায়ন বা সাহায্য বন্ধ করতে বার্তা দেওয়া হয়েছে তেহরানকে। এরই সঙ্গে ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা সীমিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা এবং যুদ্ধবিরতির সময়সীমা নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছে এই পরিকল্পনায়। এসবের বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা থেকে ইরানকে ছাড় দেওয়া হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে অপর এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান নাকি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বদলে তারা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী। এমন পরিস্থিতিতে ইরান ট্রাম্পের এসব দাবিকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করবে, এমন সম্ভাবনা কম। ইরানের বক্তব্য, জ্যারেড কুশনার কিংবা স্টিভ উইটকফের সঙ্গে এর আগেরবার আলোচনা করার মাঝেই তাদের ওপর হামলা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে তাদের প্রতি তেহরানের কোনও আস্থা নেই। উইটকফ এবং কুশনারকে তারা ‘ট্রাম্পের লোক’ হিসেবেই দেখছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *