কলকাতা বিমানবন্দরে ইন্ডিগোর বিমানে বোমাতঙ্ক। এই আবহে বিমান থেকে সব যাত্রীদের নীচে নামানো হয়। বিমানের ভিতরে চালানো হয় জোর তল্লাশি। জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে শিলংগামী ৬ই-৭৩০৪ বিমানে বোমা আছে বলে দাবি করা হয় একটি চিরকুটে। সেই চিরকুটটি রাখা ছিল সেই বিমানেরই টয়লেটে। বিমানের এক ক্রু ওই চিরকুট পান। তারপরই সিআইএসএফ এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। যাত্রীদের নিরাপদে বিমান থেকে নামানো হয় এবং তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
বোমাতঙ্কের জেরে বিমানটিকে আলাদা একটি ‘বে’-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে কলকাতা থেকে শিলঙের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল এই বিমানটির। এদিকে চিরকুটর খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সিআইএসএফের বম্ব স্কোয়াড এবং দমকল বাহিনী। পুরো বিমানটিকে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয়। কে বা কারা এই চিরকুট রাখল, তা জানতে বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ এবং যাত্রীদের তালিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে বিভিন্ন বিমান ও বিমানবন্দরে বোমার হুমকির ঘটনা বারবার সামনে আসছে। সব ক্ষেত্রেই এই হুমকি ভুয়ো বলে দেখা যাচ্ছে। তবে এই ধরনের হুমকি এলে পদক্ষেপ হিসেবে বিমানে তল্লাশি চালাতেই হচ্ছে। এর জেরে উড়ান বিলম্বিত হচ্ছে। বিমানবন্দরে পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। লোকসান হচ্ছে কয়েক কোটি টাকার। এর আগে গত ২০২৫ সালের মে মাসে কলকাতা থেকে মুম্বইগামী ইন্ডিগোর ৬ই৫২২৭ নম্বর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। সেবারে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বিমানবন্দরে ফোন করে দাবি করে বিমানে বোমা রাখা আছে। এদিকে সম্প্রতি, ২০২৬ সালেরই জানুয়ারি মাসে দিল্লি থেকে বাগডোগরাগামী ইন্ডিগোর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। বিমানটি টেকঅফের পরে দিল্লি বিমানবন্দের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে ফোন করে দাবি করা হয়, বিমানে বোমা আছে। পরে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে অবতরণ করিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছিল সেই বিমানে।
