কিছুদিন আগে তাঁর স্ট্যান্ড আপ কমেডি শোতে একনাথ শিন্ডে সহ নির্মলা সীতারমন সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা মন্ত্রীদের নিয়ে মজার ছলে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দেন কুণাল কামরা। এদিন তিনি ফের আরও একটি বিস্ফোরক পোস্ট করেন। সেখানেই জানান গণতান্ত্রিক ভাবে শিল্পীকে হত্যা করার পদ্ধতি।
কুণাল এদিন যে পোস্টটি করেছেন সেখানে লেখা ‘একজন শিল্পীকে কীভাবে খুন করতে হয় ধাপে ধাপে সাহায্য করা হল: প্রথমত আক্রোশ। এটার জেরে সমস্ত ব্যান্ড কমিশন কাজ দেওয়া বন্ধ করে দেবে। দ্বিতীয়, আরও বেশি করে আক্রোশ: যতক্ষণ না প্রাইভেট এবং কর্পোরেট অনুষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তৃতীয়ত, আরও জোরদার আক্রোশ: বড়সড় কোনও জায়গা যাতে আর রিস্ক না নেয়। চতুর্থত, হিংসাত্মক ভাবে আক্রোশ দেখানো, যাতে ছোটখাটো জায়গাগুলোও দরজা বন্ধ করে দেয়।’
তিনি এদিন আরও লেখেন, ‘শেষ হল, তাঁর দর্শককে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা, শিল্পকে অপরাধে পরিণত করা। এতে শিল্পীর কাছে দুটো পথ খোলা থাকবে এক নিজেদের আত্মা, সৃজনশীলতা বিকিয়ে দিয়ে অন্যের হাতের পুতুল হয়ে থাকবে নাহলে নীরবে গুমরে মরতে হবে। এটা কোনও প্লেবুক না। এটা একটা রাজনৈতিক অস্ত্র। একটা নীরব মেশিন।’
এই ছবিটি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘গণতান্ত্রিক ভাবে একজন শিল্পীকে কীভাবে শেষ করবেন?’ তাঁর এই পোস্টে অনেকেই জানিয়েছেন তাঁরা এই স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ানের পাশে আছেন। কেউ র্যাপ করার বুদ্ধি দিয়েছেন তো কেউ জানিয়েছন ওঁর কণ্ঠ আরও লক্ষ লক্ষ মানুষের কণ্ঠ। তিনি অনেকের হয়ে কথা বলেন সেটা যেন না ভোলেন। কেউ আবার জানান কুণাল একেবারেই ঠিক বলেছেন।
একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে নানা মন্তব্য করেছেন তিনি। কিন্তু একনাথ শিন্ডেকে গদ্দার বলায় বিতর্কের আগুনে ঘি পড়ে। শিবসেনার সমর্থকরা ক্ষেপে ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে এক শিবসেনা বিধায়ক FIR দায়ের পর্যন্ত করেন। সেটার ভিত্তিতেই মুম্বই পুলিশ কুণালকে একাধিকবার সমন পাঠিয়েছিল। কিন্তু যাননি। তারপর এদিন তাঁর বাড়িতে পুলিশ যায়, কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁর দেখা পাও যায়নি। এই বিষয়ে বলে রাখা ভালো, ইতিমধ্যেই কুণাল কামরা আগাম জামিন মঞ্জুর করিয়ে নিয়েছেন মাদ্রাস হাইকোর্ট থেকে। আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে কোর্ট।