মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিজেপির নতুন জাতীয় সভাপতি থাকবে, কিন্তু এবার বিজেপি সভাপতির আসন্ন নির্বাচনে ঐতিহাসিক পরিবর্তন আসবে। বস্তুত, বিজেপির ইতিহাসে এই প্রথম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লালকৃষ্ণ আদবানি এবং মুরলী মনোহর যোশীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়বে।

ভোটার তালিকা থেকে আদবানি এবং যোশী কীভাবে বাদ পড়লেন?
লালকৃষ্ণ আদবানি এবং প্রবীণ নেতা মুরলী মনোহর যোশী, উভয়ই বিজেপির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থার সদস্য, তাদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার কারণে। বিজেপির সংবিধান অনুসারে, বুথ স্তর থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত সমস্ত সাংগঠনিক নির্বাচন ৫০ শতাংশ রাজ্যে সম্পন্ন করতে হবে যাতে দল জাতীয় সভাপতি নির্বাচন করতে পারে।
এবার দিল্লি রাজ্যে সাংগঠনিক নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি, যার কারণে জাতীয় পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে এবং যেহেতু লালকৃষ্ণ আদবানি এবং মুরলী মনোহর যোশী দিল্লির সদস্য ছিলেন, তাই তাদের নির্বাচনী কলেজ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন বিজেপির জাতীয় সভাপতি
বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচনে মোট ৫,৭০৮ জন ভোটার অংশগ্রহণ করবেন। ঐতিহ্যগতভাবে, বিজেপির জাতীয় সভাপতি সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন এবং এবার নীতিন নবীনের নামটি বিশেষভাবে আলোচিত, কারণ তিনি বিজেপির জাতীয় কার্যকরী সভাপতিও। ফলস্বরূপ, বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচনকে কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। খবর অনুযায়ী, বিজেপির এই দুই প্রবীণ নেতা (এলকে আদবানি এবং মুরলী মনোহর যোশী) ভোটার তালিকার বাইরে থাকতে পারেন, কিন্তু তারা মার্গদর্শক মণ্ডলে সক্রিয় থাকবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এটিকে দলের মধ্যে একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন, যেখানে নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।