Mamata Banerjee vs Election Commission। ‘বহুত থ্রেট দিয়েছেন! দুঃসাহস ভালো নয়’, জ্ঞানেশকে তোপ মমতার

Spread the love

রাজ্য প্রশাসনকে সতর্কবার্তা মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার, পালটা পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী – সোমবার দিনভর দু’জনের মধ্যে পরোক্ষভাবে কথার যুদ্ধ চলল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের যে ফুল বেঞ্চ এসেছে, তাতে আছেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও। সূত্রের খবর, রাজ্যের অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রীতিমতো ‘সতর্কবার্তা’ দিয়ে পুলিশ ও প্রশাসনকে বলা হয়েছে যে ভোটের সময় কোনওরকম রাজনৈতিক হিংসা বা গন্ডগোল বরদাস্ত করা হবে না। যদি কোনও অফিসার ঠিকমতো নিজের দায়িত্ব পালন না করেন, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী নজরদারি চলবে ভোটের পরেও। আর তার পালটা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছন, তিনি জানতে পেরেছেন যে সোমবার বৈঠকে অফিসারদের ‘বহুত থ্রেট’ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার। ভ্যানিশ পাউডার নাকি বলেছেন যে মে’র পরেও অ্যাকশন নেবেন। সেই রেশ ধরে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারকে ‘পরামর্শ’ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে সাহস থাকা অবশ্যই ভালো। কিন্তু দুঃসাহস ভালো নয়।

‘পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পরিবেশ নেই’, বিরোধীদের দাবি মানল না কমিশন

আর সেই কথার যুদ্ধের মধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিরোধীরা অভিযোগ করে যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের উপযুক্ত পরিবেশ নেই। আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। যদিও কমিশন তা মানতে চায়নি। কমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে রাজ্যের ভোটের পরিবেশ আছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সমস্যা আছে। কিন্তু তা বলে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, সেটা মোটেও নয়।

কত দফায় ভোটের প্রস্তাব পশ্চিমবঙ্গে?

তারইমধ্যে আপাতত যা খবর, তাতে আগামী ১৫ মার্চ বা ১৬ মার্চ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এক বা দু’দফায় পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন করার আর্জি জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তবে শেষপর্যন্ত কত দফায় ভোট হবে, তা বোঝা যাবে নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময়।

কমিশনের হাতে বেশি সময় নেই

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আটটি দফায়। এবার অত দফায় ভোট হওয়ার কার্যত কোনও সম্ভাবনা নেই। কারণ গতবার এতদিনে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল। এবার এখনও সেটা হয়নি। ফলে ভোটগ্রহণ, ফলপ্রকাশের জন্য বেশি সময় পড়ে নেই কমিশনের হাতে। বিধানসভার মেয়াদও শেষ হয়ে যাচ্ছে মে’র প্রথম সপ্তাহে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *