শুক্রবার কর্ণাটকের উড়ুপিতে সফরকালে পৌঁছন শ্রীকৃষ্ণ মঠে। কর্ণাটকে এদিনের সভামঞ্চ থেকে ‘মিশন সুদর্শন চক্র’র প্রসঙ্গ তোলেন মোদী। কী এই ‘মিশন সুদর্শন চক্র’? তারও ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাউ জানান, শত্রুরা দুঃসাহস দেখালেই এই সুদর্শন চক্র তাকে ধ্বংস করে দেবে।
উড়ুপিতে এদিন বক্তব্য রাখার সময় নরেন্দ্র মোদী বলেন,’ শ্রীকৃষ্ণ গীতার বার্তা যুদ্ধের ভূমিতে দিয়েছিলেন। আর ভগবত গীতা আমাদের শেখায়, শান্তি, সত্যের স্থাপনার জন্য অত্যাচারীদের শেষ হওয়া আবশ্যিক। দেশের সুরক্ষা নীতিরও মূল ভাব এটাই।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন,’ আমরা বসুধৈব কুটুম্বকমকে মানি। আর আমরা ধর্মো রক্ষতি রক্ষিতা-র মন্ত্রও বলি। আমরা শ্রীকৃষ্ণের করুণার বার্তাও গ্রহণ করি।’ এরই সঙ্গে তিনি লালকেল্লার প্রসঙ্গ তোলেন, এবং বলেন,’ ওই প্রাচীর থেকেই আমরা মিশন সুদর্শন চক্রের ঘোষণা করছি। মিশন সুদর্শন চক্র হল, দেশের বিশেষ স্থানগুলিতে, দেশের প্রাতিষ্ঠানিক ও সর্বজনীন ক্ষেত্রগুলিতে, সুরক্ষার এমন দেওয়াল বানানো হবে, যাক ভেদ করতে পারবেন শত্রুরা। আর যদি শত্রুরা দুঃসাহস দেখায়, তাহলে আমাদের সুদর্শন চক্র তাকে ধ্বংস করে দেবে।’ এরপরই নরেন্দ্র মোদী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গ। মোদী বলেন,’অপারেশন সিঁদুরের অভিযানেও দেশ আমাদের এই সংকল্প দেখেছে। পহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলায় বহু দেশবাসী নিজের জীবন হারিয়েছেন। এই পীড়িতদের মধ্যে আমার কর্ণাটকের ভাইবোনরাও ছিলেন।’ তিনি বলেন,’আগে হামলা হলে সরকার হাতে হাত দিয়ে বসে থাকত। তবে এটা নতুন ভারত, এটি কারোর সামেন ঝোকেনা। আর নিজের নাগরিকদের রক্ষা থেকেও পিছপা হয়না।’এদিকে, দিল্লিতে অন্য একটি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন,’যখন আমাদের সার্বভৌমত্ব এবং আমাদের জনগণের নিরাপত্তার কথা আসে, তখন আমরা কোনও আপস করি না।’ তিনি বলেন,’ আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বারবার দেখিয়েছে যে তারা সক্ষম এবং প্রস্তুত। এই বিশ্রাম এবং দৃঢ়তার মিশ্রণই আমাদের আশেপাশের চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে সাহায্য করে।’
