Pak army crosses LOC। নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে সেনা চৌকিতে গুলি পাক জওয়ানদের

Spread the love

বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে অনুপ্রবেশ করল পাকিস্তান। কৃষ্ণা ঘাটি ব্রিগেডের অধীনে পরিচালিত নাঙ্গি টেকরি ব্যাটালিয়নের ওপর বিনা প্ররোচনায় এই হামলা চালানো হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত এক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। ১ এপ্রিল কৃষ্ণা ঘাটি সেক্টরে মাইন বিস্ফোরণ ঘটে পাক সেনার অনুপ্রবেশের কারণে। এরপরই বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় পাক সেনা। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেই অঞ্চলের ওপর নজরজারি চালানো হচ্ছে এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান সেনা কর্তা।

এদিকে দাবি করা হচ্ছে, নিয়ন্ত্রণরেখায় অনুপ্রবেশকারী পাক সেনা জওয়ানদের কয়েকজন হতাহত হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে সেনা কোনও কিছু বলেনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমান্তের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন সাংবাদিক আদিত্য রাজ কউল। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর পোস্ট করা ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, হতাহতদের সীমান্ত থেকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানিরা। এদিকে হিন্দুস্তান টাইমসকে সেনার গোয়ান্দা সূত্রে জানানো হয়েছে, ২ জন পাক জওয়ানের মৃত্যু ঘটেছে।

এই আবহে নিয়ন্ত্রণ রেখায় শান্তি বজায় রাখতে ২০২১ সালের ডিজিএসএমও বোঝাপড়ার নীতি বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এদিকে কাঠুয়ার পঞ্জতীর্থী এলাকায় চলমান অভিযানের মধ্যেই সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটল। সেখানে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলছে। এই এলাকায় ৩১ মার্চ রাতে সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ)-এর নেতৃত্বে একটি যৌথ অভিযান চলছে ওই এলাকায় শুরু হয়। এর জেরে ১ এপ্রিল ভোরে নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর রাইজিং স্টার কোর অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ পাঞ্জতীর্থীর এলাকায় একাধিক জায়গায় নজরদারি চালাচ্ছে এবং অভিযানে নেমেছে। ৩১ মার্চ রাতে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা হয়েছিল সেই এলাকায়। এই আবহে সেখানে গুলি বিনিময় হয়। ১ এপ্রিল ভোর থেকেই সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয়েন্ট অপারেশন চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *