বাংলাদেশে স্রেফ লোক দেখানো সাধারণ নির্বাচন হবে। বাস্তবে নতুন যে সরকার আসবে, সেটির ক্ষমতা বকলমে থাকবে পাকিস্তানপন্থী জামায়াতে ইসলামির হাতেই। আর তার ফলে বাংলাদেশে পুরোপুরি ‘ফ্রি হ্যান্ড’ পেয়ে যাবে পাকিস্তান। অর্থাৎ ইসলামাবাদের যেটা ইচ্ছা হবে, সেটাই করবে বাংলাদেশ। যা ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে। সুরক্ষা সংক্রান্ত ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। সেইসঙ্গে আমেরিকার বিরুদ্ধেও উষ্মাপ্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের ভোটে নেই কোনও প্রগতিশীল দল, দাবি হাসিনার ছেলের
কলকাতায় বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্তের ‘খোলা হাওয়া’-র অনুষ্ঠানে হাসিনার ছেলে দাবি করেছেন, চলতি মাসে বাংলাদেশে যে নির্বাচন হবে, তাতে আন্তর্জাতিক মহলের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নয়। কারণ আওয়ামি লিগের পাশাপাশি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে না বাংলাদেশের কোনও প্রগতিশীল দল। সেইসব দলকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে আসলে কোনও নির্বাচন হচ্ছে না। বরং একটা যাত্রাপালা চলছে বলে অভিযোগ করেন জয়।
বাংলাদেশে নয়া ছক কষছে আমেরিকা? বিস্ফোরক দাবি হাসিনা পুত্রের
সেই রেশ ধরে আমেরিকার বিরুদ্ধেও বড় অভিযোগ করেন হাসিনার পুত্র। তিনি দাবি করেছেন, আমেরিকার এফবিআইয়ের দেওয়া তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে দণ্ডিত করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাংলাদেশেও এসেছিলেন মার্কিন আধিকারিকরা। দুর্নীতির দায়ে তারেককে দণ্ডিত করার জন্য আমেরিকার হাতে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ছিল। কিন্তু সেই পথে হাঁটেনি আমেরিকা।

বাংলাদেশ দুর্বল হলে ভারতের সমস্যা বাড়বে, মত হাসিনার ছেলের
তিনি আরও দাবি করেন, গণভোটের পক্ষে আছে আমেরিকা। আর তার ফলে বাংলাদেশে কোনও একটি দলের পক্ষে সরকার গঠন করা প্রায় অসম্ভব। তাই সবসময় ক্ষমতায় থাকবে জোট সরকার। আর দুর্বল সরকার থাকলে সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ বলে দাবি করেন হাসিনা-পুত্র। তাঁর কথায়, ‘বাংলাদেশের দুর্বল এবং ইসলামিদের মদতপুষ্ট সরকার শুধুমাত্র বাংলাদেশের সমস্যা নয়, সেটা সরাসরি পূর্ব ভারতের সুরক্ষা এবং স্থিতিস্থাপকতার উপরে প্রভাব ফেলবে।’