Rachana 1st Husband। অনেকেই চেনে না রচনার ১ম স্বামীকে?

Spread the love

টিভির একসময়ের জনপ্রিয় টক শো ‘অপুর সংসার’-এ অতিথি হয়ে এসে নিজেকে একবার স্ত্রী হিসেবে ১০-এ শূন্য দিয়েছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর কারণ হিসেবে বলেছিলেন, গৃহিণী হওয়ার জন্য যে গুণগুলো লাগে তা তাঁর নেই। দু বার সংসার বেঁধেছেন রচনা। কোনোবারই সুখী হননি। লোকসভা ভোটে দাঁড়ানোর পর স্বামী প্রবাল বসুর সঙ্গে অবশ্য দূরত্ব অনেকটাই মিটেছে। কিন্তু একটা লম্বা সময় দুজনের ছাদ ছিল আলাদা। শুধু ছেলে রৌনভের কথা ভেবে, কখনো ডিভোর্স নেননি তাঁরা।

‘অপুর সংসার’-এ শাশ্বত তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, মা হিসেবে কত নম্বর দিতে চান নিজেকে। যাতে রচনা জানান, ‘আমি মা হিসেবে নিজেকে দশে সাত দেব। আরও একটু কম দিলেও মন্দ হয় না।’ আর স্ত্রী হিসেবে?এতে একটু থেমে রচনার জবাব ছিল, ‘শূন্য দেব নিজেকে। কারণ আমার মনে হয় বউ হওয়ার জন্য, সংসার করার জন্য, গৃহিণী হওয়ার জন্য যে গুণগুলো লাগে তা আমার নেই। আসলে আমরা যারা অভিনয় করি তাদের অভিনয় জগতেরই কারোর সঙ্গে ঘর বাঁধা উচিত বা এমন কোনও মানুষের সঙ্গে যে অভিনয় পেশাটাকে অত্যন্ত বুঝবে। কারণ আমাদের এই পেশাটা একেবারে আলাদা। অনেক বেশি মানিয়ে চলতে হয়।’

তবে এক অভিনেতাকেও কিন্তু বিয়ে করেছিলেন রচনা। সেই বিয়ের মেয়াদ ছিল মাত্র মাসখানেক। জানেন কি, টিভির দিদির স্বামীর নাম কী? তিনি হলেন ওড়িশা ছবির জগতের সুপারস্টার সিদ্ধান্ত মহাপাত্র।

তবে সিদ্ধান্তের পরিবার এই অসম বিয়েতে কোনোদিনই মত দেননি। সেভাবে সংসারও করা হয়নি রচনার। ২০০৪ সাল নাগাদ দুজনের পথ আলাদা হয়। এরপর ওড়িয়া ছবির কাজ ছেড়ে দেন রচনা।

এরপর ২০০৭ সালে প্রবাল বসুর সঙ্গে ঘর বাঁধেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেখানেও মনোমালিন্য, আসে দূরত্ব। রচনা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘ছেলের জন্যই আমরা ডিভোর্স নেইনি। কারণ আমি কখনও চাইনি যে আমার ছেলেকে এই ট্যাগটা দেওয়া হোক যে তার বাবা-মা ডিভোর্সড। এটা আমার এবং আমার স্বামীর মিলিত সিদ্ধান্ত।’

কিন্তু অভিনেত্রী যখন লোকসভা ভোটের প্রার্থী হন, তখন পাশে দেখা যায় রচনাকে। ভোট মিটে গেলেও বউয়ের হাত ছেড়ে যাননি তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *