Sanchar Saathi app install। প্রতিটি ফোনেই এই অ্যাপ রাখতে হবে! নির্দেশ দিল কেন্দ্র

Spread the love

সোমবার সব মোবাইল নির্মাতা ও আমদানিকারকদের উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকারের টেলিযোগাযোগ দফতর। ভারতে বিক্রির জন্য তৈরি বা আমদানি করা সমস্ত নতুন মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলিতে আগে থেকে অবশ্যই ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ ইনস্টল থাকতে হবে। প্রথমবারের মতো ফোন বা সেটআপ চালু করার সময় এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারকারীর কাছে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হওয়া উচিত এবং এটি কোনওভাবেই বন্ধ করা যাবে না। ২০২৩ সালের মে’তে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ এবং পোর্টাল চালু করা হয়েছিল।

‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপের ফলে কী কী লাভ হবে?

১) এই ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপের আপনি জানতে পারবেন যে আপনার নামে কতগুলো মোবাইল কানেকশন অ্যাক্টিভ আছে।

২) হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে অভিযোগ করা এবং সেগুলি ব্লক করা।

৩) প্রতারণামূলক ওয়েব লিঙ্কগুলি রিপোর্ট করা। অর্থাৎ সহজেই সন্দেহজনক জালিয়াতি বা স্প্যাম রিপোর্ট করা।

৪) ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের নম্বর যাচাই করা।

৫) আপনি যে ফোন কিনেছেন, সেটি যাচাই করে দেখতে পারবেন।

৬) ভারতীয় নম্বর দেখিয়ে আগত আন্তর্জাতিক কলগুলি রিপোর্ট করা।

সরকারি আধিকারিকদের মতে, এখন ওয়েবসাইটে গিয়ে অভিযোগ করতে হয়। ফলে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় নেয়। ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপের মাধ্যমে সেই কাজটা অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে। এমনকী ব্যবহারকারীদের আইএমইআই নম্বরও মনে রাখার দরকার হবে না।

‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপের ইতিবৃত্ত

এমনিতে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৪২.১৪ লাখের বেশি মোবাইল ফোন ব্লক করা হয়েছে। ২৬.১১ লাখেরও বেশি হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। অ্যাপে ১.১৪ কোটিরও বেশি রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। গুগল প্লে স্টোর থেকে এক কোটির বেশি ডাউনলোড এবং অ্যাপল স্টোর থেকে ৯.৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে।

ডেডলাইনও বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার

সরকার নির্মাতাদের একটি সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপটি ইনস্টল করতে বলেছে। টেলিযোগাযোগ দফতরসূত্রে জানা গিয়েছে, ভুয়ো হ্যান্ডসেট কেনা থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে, বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে সহজে অভিযোগ করতে এবং সঞ্চার সাথী উদ্যোগকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপল, স্যামসাং, শাওমি, অপ্পো, ভিভোর মতো বড় ওইএমগুলিকে এই নিয়ম মেনে চলার জন্য ৯০ দিন দেওয়া হয়েছে। আর রিপোর্ট জমা দিতে হবে ১২০ দিনের মধ্যে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *