Sayak-Sukanta। ‘বেইমানের মতো পালিয়ে গেলে’! বিফ-কাণ্ডে সায়কের বন্ধুকে ধুয়ে দিল নেটিজেন

Spread the love

অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী গত কয়েকদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। পার্ক স্ট্রিটের এক ঐতিহ্য়শালী রেস্তোরাঁয় গত শনিবার বন্ধু সুকান্ত কুণ্ডু এবং তাঁর হবু বউ অনন্যা গুহর সঙ্গে ডিনার করতে গিয়েছিলেন সায়ক। সেই ডিনারই কাল হয়! মাটন স্টেক অর্ডার করলেও ভুলবশত বেয়ারা দিয়ে যান গোরুর মাংসের তৈরি স্টেক। সেই নিয়েই শুরু বিতর্ক। মামলা গড়ায় থানা-পুলিশ-আদালত পর্যন্ত।

মঙ্গলবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন পার্ক স্ট্রিট পাবের বেয়ারা। গোটা বিতর্কে টলিউড ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুরু করে নেটপাড়ার একটা বড় অংশ সায়ককে কাঠগড়ায় তুলে তুলোধনা করেছেন। সেই ‘বিফ’ বিতর্কের পর কার্যত ‘একঘরে’ সায়ক। এবার বন্ধু সুকান্ত কুণ্ডু এবং তাঁর বান্ধবীকে নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন তরজা। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ, বিপদের সময় সায়ককে একা ফেলে তাঁরা গা ঢাকা দিয়েছেন।

বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন সুকান্ত। সেই ভিডিয়োর কমেন্ট বক্স জুড়ে রয়েছেন সায়ক এবং পার্কস্ট্রিটের বিফ-কাণ্ড। এক নেটিজেন সুকান্ত কুণ্ডুর একটি পোস্টে অত্যন্ত কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, ‘একই রকম মেন্টাল স্ট্রেসের মধ্যে দিয়ে সায়ক এবং তার পরিবারও যাচ্ছে। তিনজন খেতে গেলে, একজন ফাঁসলো বলে তোমরা দুজন বেইমানের মতো পালিয়ে গেলে!’ তিনি আরও যোগ করেন যে, সায়কের সময় খারাপ তাই তিনি ফেঁসেছেন এবং সুকান্তদের মতো বন্ধুর থেকে শত্রু ভালো। শেষে ‘তোমার লজ্জা হওয়া উচিত’ লিখে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

নেটিজেনের এই আক্রমণাত্মক কমেন্ট এড়িয়ে যাননি সুকান্ত। তিনি অত্যন্ত সংযত অথচ স্পষ্ট ভাষায় পাল্টা জবাব দিয়েছেন। সুকান্ত লেখেন, ‘আচ্ছা বলছি আমাদের মধ্যে যা হয়েছে আমরা বুঝছি, আপনি তো আপনার মতো বলে যাচ্ছেন, বলুন না বলতে তো আর টাকা লাগে না! ভালো থাকবেন’। সুকান্তর এই দায়সারা গোছের উত্তর দেখে অনেকে মনে করছেন, বন্ধুদের মধ্যেও হয়তো কোনও অভ্যন্তরীণ বিবাদ তৈরি হয়েছে যা তিনি প্রকাশ্যে আনতে চান না। এই ঘটনায় অনেকেই লিখেছেন, ‘আমরা সায়কের পাশে আছি। তাদের উদ্দেশ্য সুকান্ত লেখেন, ‘আমরাও পাশে আছি’। এক নেটিজেন প্রশ্ন করেন, ‘সায়ক কেমন আছে?’ সুকান্ত জবাবে জানান, ‘খুব একটা ভালো না, ওর সময় দরকার।

বিফ-কাণ্ডের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কার্যত গায়েব সায়ক। অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ার পোস্টটি গত ১লা ফেব্রুয়ারি শেয়ার করেছিলেন তিনি। সেই নিয়েও কটাক্ষের মুখে পড়েন অভিনেতা। তারপর থেকে আর কোনও পোস্ট আসেনি। ফোনেও অধরা সায়ক। মেসেজের উত্তর দেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *