১৯৬৮ সালে ভারতীয় ক্রিকেট তথা বিনোগন জগতে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দুই তারকা। একজন নবাব মনসুর আলি খান পতৌদি, যিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক, অপরজন সিনেমা জগতের চেনা মুখ তথা ঠাকুর পরিবারের সদস্য শর্মিলা ঠাকুর। তাঁদের সম্পর্ক স্রেফ দুটো পরিবারের মিলন ছিল না, একই সঙ্গে ক্রিকেটের সঙ্গে বিনোদন জগতের মধ্যে যে সম্পর্ক তৈরি হওয়া সেতু, সেটারই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।
কিন্তু আর নবাবের স্মৃতিকে খুব বেশিদিন হয়ত আঁকড়ে থাকতে চাইছে না বিসিসিআই, সেই কারণে তাঁর নামাঙ্কিত এক ট্রফি বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে, যা নিয়েই বেজায় মন খারাপ বলিউডের বর্ষিয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের। নিজের স্বামীর নামাঙ্কিত ট্রফি বন্ধ হয়ে যেতে বসায় অত্যন্ত মর্মাহত তিনি।
২০০৭ সালে পথ চলা শুরু এই ট্রফির
ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যে হওয়া সিরিজের জয়ী দলকে মাক পতৌদি ট্রফি দেওয়া হত এতদিন। ১৯৩২ সালের ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম টেস্ট ম্যাচের ইতিহাসকে সঙ্গী করেই ২০০৭ সালে পতৌদি ট্রফির আত্মপ্রকাশ হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে বিসিসিআই এবং ইসিবি যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাক পাতৌদি ট্রফিকে অবসরে পাঠানোর, যদিও এই বিষয়ে এখনও সরকারি কোনও ঘোষণা আসেনি।
হতাশ শর্মিলা ঠাকুর
এই খবর শোনার পর মন খারাপ শর্মিলা ঠাকুরের। তিনি হিন্দুস্তান টাইমসকে এক সাক্ষাৎকারে এর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, ‘আমি এখনও সরকারিভাবে কিছুই শুনিনি ওদের মুখ থেকে। তবে সইফকে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে, যেখানে জানানো হয়েছে তাঁরা ওই ট্রফিকে অবসরে পাঠাতে চায়। এবার বিসিসিআই যদি মনে করে টাইগারের যে ভারতীয় ক্রিকেটের প্রতি উত্তরাধিকার বা অবদান, সেটা তাঁরা মনে রাখতে চায় না, তাহলে সেটা তাঁদের ব্যাপার ’।
গত ১ বছরে পরপর ধাক্কা খান পরিবারের
প্রসঙ্গত শেষ একটা বছর একদমই ভালো কাটেনি সইফ পরিবারের। কয়েক মাস আগেই তাঁদের বাসভবনে এক ব্যক্তি ঢুকে পড়ে সইফ আলি খানকে ছুড়িকাহত করেন, এরপর তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এরপর তাঁদের পূর্বপুরুষের সম্পত্তি নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত ধাক্কা খায় খান পরিবার। এবার আরও একটা মন খারাপের কারণই তাঁদের জানিয়ে দিল ইসিবি।