দেশে সাতটি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। রবিবার লোকসভা বাজেট ভাষণে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সাতটি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরি করার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। মুম্বই-পুণে, পুণে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ-চেন্নাই, চেন্নাই-বেঙ্গালুরু, দিল্লি-বারাণসী এবং বারাণসী-শিলিগুড়ির মধ্যে সেই সাতটি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেইসঙ্গে নয়া ফ্রেট করিডর গঠনের ঘোষণা করেছেন সীতারামন। তিনি জানিয়েছেন, পূর্ব ডানকুনি থেকে পশ্চিমে সুরাটকে যুক্ত করবে সেই ফ্রেট করিডর।
এবারের বাজেটে মূলত কী কী বললেন সীতরামন?
১) নির্মলা সীতারামন: এবার বাজেট যুবশক্তি চালিত বাজেট। কর্তব্য ভবনে পেশ করা এটা প্রথম বাজেট। আর তাই তিনটি কর্তব্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। প্রথমত, আর্থিক বৃদ্ধির হার ত্বরান্বিত করা। দ্বিতীয়ত, ভারতের মানুষের আকাঙ্খা পূরণ করা। তৃতীয়ত, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-র নীতি বজায় রেখে প্রত্যেকের অর্থবহ অংশগ্রহণ।
২) নির্মলা সীতারামন: রিফর্ম এক্সপ্রেস নিজের ছন্দ বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে। যা আমাদের কর্তব্য পূরণে সহায়তা করবে।
৩) সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উপরে বাড়তি গুরুত্ব আরোপ করে ‘সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০’-র ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেজন্য ৪০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার প্রস্তাব দেওয়া হল। তিনি বলেন, ‘সেমিকন্ডাক্টর মিশনে যে ছন্দ এসেছে, সেটার সদ্ব্যবহার করতে হবে।’ সেমিকন্ডাক্টর ২.০ মিশনের আওতায় গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপরে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
৪) ভারতকে বায়োফার্মা হাবে পরিণত করার ঘোষণা করলেন সীতারামন। আর সেজন্য ‘বায়োফার্মা শক্তি’ প্রকল্পের ঘোষণা করা হল। ১০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

৫) বিরল ধাতুর হাব তৈরির ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ুতে সেই হাব তৈরি করা হবে।
৬) বস্ত্রশিল্পের উপরে বিশেষ জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। মেগা টেক্সটাইল পার্ক গঠনের ঘোষণা করলেন। খাদি, হ্যান্ডলুম, হস্তশিল্পের জন্য মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজের ঘোষণা করা হল।
৭) ২০টি নতুন জাতীয় জলপথ চালুর ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। জানালেন যে আগামী পাঁচ বছর সেগুলি তৈরি করা হবে। ট্রেনিংয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানও তৈরি করার কথা বললেন সীতারামন।
৮) ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ’ তৈরি করা হবে তিনটি। প্রতিটি জেলায় একটি মহিলাদের হস্টেল তৈরি করা হবে।