Siliguri-Delhi Bullet Train Corridor। শিলিগুড়ি থেকে ৭ ঘণ্টায় দিল্লি! এখন লাগে ৩০ ঘণ্টার মতো

Spread the love

শিলিগুড়ি থেকে দিল্লিতে পৌঁছানো যাবে মাত্র সাত ঘণ্টায়। এখন যে পথটা অতিক্রম করতে ২১ ঘণ্টা থেকে ৩০ ঘণ্টার মতো লাগে। রবিবার সাধারণ বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন যে সাতটি হাইস্পিড রেল করিডরের (বুলেট ট্রেন করিডর) ঘোষণা করেছেন, সেগুলি বাস্তবায়িত হলে এতটাই তাড়াতাড়ি ট্রেনে করে ১,৫০০ কিলোমিটারের পথ অতিক্রম করা যাবে। যা উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটনের ক্ষেত্রে নয়া দিগন্ত উন্মোচিত করে দেবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্ত দাবি করেছেন, দিল্লি-শিলিগুড়ি হাইস্পিড রেল করিডরের ফলে উত্তরবঙ্গ, পূর্ব ভারত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বাণিজ্য, পর্যটন, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নয়া সুযোগ তৈরি হবে। সার্বিকভাবে ত্বরান্বিত হবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি।

২ দফায় হবে শিলিগুড়ি-দিল্লি হাইস্পিড রেল করিডর

আর সেই শিলিগুড়ি-দিল্লি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে দুটি দফায়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী পর্যন্ত হাইস্পিড রেল করিডর তৈরি হবে। তাছাড়াও দিল্লি-বারাণসী হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে দিল্লি থেকে সরাসরি হাইস্পিড ট্রেন চালানো যাবে শিলিগুড়ি পর্যন্ত।

১৭ ঘণ্টার যাত্রা হবে সাড়ে ৩ ঘণ্টায়

এমনিতে শিলিগুড়ি থেকে বারাণসীর মধ্যে দূরত্ব হল ৭০০ কিলোমিটারের মধ্যে। সাধারণত ট্রেনে করে ওই পথটা যেতে ১৩ ঘণ্টা থেকে ১৭ ঘণ্টা মতো লাগে। তেজস এক্সপ্রেস হলে আরও কিছুটা কম সময় লাগবে। রেল আধিকারিকদের বক্তব্য, হাইস্পিড রেল করিডর চালু হয়ে গেলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২০ কিলোমিটার বেগে ছুটবে ট্রেন। ফলে সাড়ে তিন ঘণ্টারও কম সময় শিলিগুড়ি থেকে বারাণসীতে পৌঁছে যেতে পারবেন।

শিলিগুড়ি-বারাণসী, তারপর বারাণসী-নয়াদিল্লি

আবার বারাণসী থেকে নয়াদিল্লির দূরত্ব মোটামুটি ৮০০ কিলোমিটারের মতো। আপাতত সেমি-হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে সেই পথটা অতিক্রম করতে আট ঘণ্টার মতো লাগে। রেলকর্তাদের বক্তব্য, হাইস্পিড রেল করিডরে বুলেট ট্রেন ছুটলে ওই পথটাই সাড়ে তিন ঘণ্টায় দিল্লি থেকে বারাণসী পৌঁছে যেতে পারবেন। আর সেটার নিরিখে দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত ১,৫০০ কিমির মতো রাস্তা অতিক্রম করতে সাত ঘণ্টার মতো লাগবে।

যদিও কবে হাইস্পিড রেল করিডরের মাধ্যমে দিল্লি এবং শিলিগুড়িকে যুক্ত করার কাজ শেষ হবে, কবে বুলেট ট্রেনের মতো হাইস্পিড ট্রেন ছুটবে ওই করিডরে, সে বিষয়ে আপাতত কিছু জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ১,৫০০ কিমি অংশে হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির কাজটা বেশ সময়সাপেক্ষ। ফলে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *