একের পর এক স্কুল খালি হয়ে যাচ্ছে। কারা ক্লাস নেবেন, কারা পরিস্থিতির সামাল দেবেন তা কিছুতেই বুঝতে পারছে না একাধিক স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে এবার সবথেকে বড় প্রশ্ন উচ্চমাধ্যমিকের খাতা দেখার কী হবে?
এদিকে রাজ্য সরকার এর আগে একাধিকবার আদালতে জানিয়েছিল এত জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল হলে রাজ্য়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় প্রভাব পড়বে। তবে এবার সুপ্রিম নির্দেশ ২৫ হাজার ৭৭২জনের চাকরি বাতিল। কেবলমাত্র চাকরি থাকবে ক্যানসার আক্রান্ত সোমা দাসের।
টিভি ৯ বাংলার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ করা হবে। শিক্ষা সচিব বিনোদ কুমার জানিয়েছেন ওই সংবাদমাধ্যমকে। সেই সঙ্গেই পরীক্ষার খাতা দেখার ব্যাপারে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পক্ষ থেকে ওই সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে এই চাকরি যাওয়ার প্রভাব তো পড়বেই। তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে একাধিক স্কুলে খোঁজ নিয়ে দেখা গিয়েছে কম বেশি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। একদিকে স্কুলগুলিতে শিক্ষক শিক্ষিকার ঘাটতি রয়েছে। তার উপর যদি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের একাংশের চাকরি বাতিল হয় তাহলে স্কুলগুলিতে প্রভাব পড়তে পারে।
তবে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, বিচারব্যবস্থাকে সম্মান করি। তবে রায়কে মানতে পারছি না।
তবে তিনি বার বার জানিয়েছেন আমার বক্তব্যকে বিকৃত করবেন না। একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে তিনি তাঁর মতামত জানাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের দাবি, যারা চাকরি করছেন তাঁদের টাকা ফেরত দিতে হবে না। রায় উল্লেখ করে এমনটাই দাবি করেন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী।
‘যাদেরটা বাতিল করা হয়েছে বয়সের রিল্যাক্সেশন, কনসেশন ফ্রেস সিলেকশন প্রসেসে অ্যালাও করা যাবে। ‘
‘বাংলাকে আর কত টার্গেট করবেন! মধ্য়প্রদেশে, ঝাড়খণ্ডে! ৫০ এর উপর লোককে খুন করা হয়েছে। এডুকেশন মিনিস্টারকে জেলে রেখে দিয়েছেন। একজনের অপরাধে কতজনের শাস্তি হয়?’ প্রশ্ন মমতার।
মমতা বলেন, ‘অনেকে খাতা দেখছেন মাধ্যমিকে উচ্চমাধ্যমিকে। স্কুল কলেজে পড়াবে কে? আপনারা তো চিরকুটে চাকরি দিতেন।’ সিপিএমকে কটাক্ষ মমতার।