SSC Recruitment Exam Latest Update। সময় শেষ হবে না SSC নিয়োগ! কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য

Spread the love

শীতের ছুটির আগেই সম্ভবত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট যে ৩১ ডিসেম্বরের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিল, সেটা মেনে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না। সেই পরিস্থিতিতে কিছুটা বাড়তি সময় চেয়ে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। নাহলে জানুয়ারি থেকে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আর ডেডলাইনের মধ্যে এসএসসি যে যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে পারবে না, তা কার্যত নিশ্চিত। কারণ এখনও পর্যন্ত নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ার ভেরিফিকেশনের তালিকা প্রকাশ করে উঠতে পারেনি। প্রার্থীদের নথি যাচাই করা হবে। তারপর হবে ইন্টারভিউ এবং ডেমোস্ট্রেশন। সেই প্রক্রিয়ার পরে চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ করা হবে। আর তাপরর স্কুলে নিয়োগ হবে। ফলে এখনও লম্বা পথ চলা বাকি আছে।

তুলনামূলকভাবে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া। বাংলা এবং ইংরেজির প্রার্থীদের ইন্টারভিউ এবং ডেমোস্ট্রেশন হয়ে গিয়েছে। আরও চারটি বিষয়ের ইন্টারভিউ চলছে। সূত্রের খবর, ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই আরও কয়েকটি বিষয়ের ইন্টারভিউ এবং ডেমোস্ট্রেশনের দিনক্ষণ প্রকাশ করা হবে। সেইসঙ্গে ওই সময় নাগাদই বাংলা এবং ইংরেজির চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ করে দিতে পারে কমিশন।

তারইমধ্যে এসএসসি গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি’র ক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে কমিশন। ‘যোগ্য’ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে এসএসসি। আসলে ‘যোগ্য’ প্রার্থী বলতে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত ‘দাগি’-র ছাড়া যাঁরা আছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ করতে বলেছিল হাইকোর্ট। সেজন্য ৮ ডিসেম্বরের ডেডলাইনও বেঁধে দিয়েছিল। আর সেই ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল কমিশন। এমনিতে ইতিমধ্যে এসএসসি গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি’র চিহ্নিত ‘দাগি’-দের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে এসএসসি মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল থাকবে। সোমবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গত বছর এপ্রিলে যে রায় দিয়েছিল শীর্ষ আদালত, সেটাই বহাল রাখা হচ্ছে। ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে যে অনেক ভালো পড়ুয়ার উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা শীর্ষ আদালত মেনে নিয়েছে। কিন্তু রায় পরিবর্তন করা হচ্ছে না। অর্থাৎ প্রায় ২৬,০০০ চাকরিই বাতিলের রায় বহাল থাকছে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, যাঁরা ভালো পড়ুয়া, তাঁরা আবার ঠিক চাকরি পেয়ে যাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *