বিহারের(Bihar) দ্বারভাঙায় দুর্গা মন্দির থেকে ফেরার সময় ভক্তদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ। ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনের বিরুদ্ধে এই পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে দুর্গা ভক্তদের পাথর ছোড়ার ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর থেকে সেখানে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে অভিযোগ, পাথর ছোড়ার ঘটনার সময় পদপিষ্ট হন বেশ কয়েকজন মহিলা। ভক্তরা আতঙ্কে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি শুরু করলে এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় কয়েকজন মহিলা ভক্ত পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিলেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে কুশেশ্বর আস্থান থানা এলাকার কেওয়াটগামা পঞ্চায়েতের পাচিয়ারি গ্রামে। জানা গিয়েছে, চৈত্র নবরাত্রির প্রথম দিন, অর্থাৎ গত শনিবার কিছু ভক্ত দুর্গা মন্দিরে কলস বসিয়ে ফিরছিলেন। সেই সময় একটি বাড়ির ছাদ থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। কিছু মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, মহম্মদ আলাউদ্দিনের বাড়ির ছাদ থেকে ভক্তদের দিকে পাথর ছোড়া হয়েছিল।
এই গোটা ঘটনার পর গ্রামে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। লাইভ হিন্দুস্তানের খবরে বলা হচ্ছে, এই পাথর ছোড়ার একটি ভিডিয়োও সামনে এসেছে। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, পুরুষ ও মহিলারা ছাদ থেকে ইট-পাথর ছুড়ছে। তবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা এই ভিডিয়োর সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি। খবর পেয়ে কুশেশ্বর আস্থানথান থানাসহ বিপুল সংখ্যক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ কোনওরকমে সেখানকার পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। শান্তি ফিরিয়ে আনে। ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হিসার বিষয়ে তারা খতিয়ে দেখছে।
এদিকে জানা যাচ্ছে, এর আগে হোলির সময়তেও এই স্থানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে মারামারি হয়েছিল। সেই সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষ বেঁধেছিল দুই পক্ষের। যার জেরে জখম হয়েছিলেন অনেকে। সেই সময় পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করেছিল। এদিকে দ্বারভাঙ্গার এসএসপি জাগুনাথ রেড্ডি জালারেড্ডি জানিয়েছেন, মন্দিরে কলস বসিয়ে ফেরা ভক্তদের লক্ষ্য করে কিছু পাথর ছোড়া হয়। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি শান্ত করে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সেখানে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যারা পাথর ছুড়েছিল, তাদের চিহ্নিত করছে পুলিশ।