স্লট ঘোষণা হয়েছে আগেই। এবার সামনে এল পল্লবী শর্মা ও বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসন্ন মেগা তারে ধরি ধরি-র নতুন প্রোমো। যা দেখে চোখ ছানাবড়া ভক্তদের। রূপমঞ্জরী আর গোরার গল্প বলবে জি বাংলার এই সিরিয়াল। সম্প্রচারে বাকি আর মাত্র ৭ দিন।সোমবার চ্যানেলের তরফে প্রকাশ্যে আনা হল সিরিয়ালের আড়াই মিনিট লম্বা ঝলক। প্রোমোর শুরুতেই দেখা গেল নবদ্বীপের এক বনেদী বাড়ি। সেই বাড়ির লক্ষ্মীমন্ত বউ রূপমঞ্জরী। শ্রীকৃষ্ণের জন্য় ছাপান্ন ভোগ রান্নায় পারদর্শী সে, আবার কৃষ্ণ ভক্ত স্বামীকে গানে সঙ্গ দিতেও ওস্তাদ। একদিকে যখন রূপমঞ্জরীর চোখে সুখী দাম্পত্যের ঝলক, তখনই সংসার ছাড়ার সিদ্ধান্ত গোরার। কারণ ‘এ জীবন অনিত্য’। ওদিকে বউও অনড়। শাশুড়িকে সে জানিয়ে দেয়- ‘মা,তোমার ছেলেকে আমি খুঁজে আনবই’।
স্বামীর খোঁজে বারাণসী হয়ে বৃন্দাবনে পৌঁছায় রূপমঞ্জরী। অনেক খোঁজাখুঁজির পর হোলির রঙে রাঙা বৃন্দাবনে স্বামীর দর্শন পায় সে। কিন্তু ততদিনে বদলে গিয়েছে গোরার বেশ। মাথায় পাগড়ি, কপালে তিলক, পরনে শ্বেতবস্ত্র। স্ত্রীর সামনে দাঁড়িয়ে সন্ন্যাসী বেশে গোরা বলে- ‘ভিক্ষাং দেহি’।
সিরিয়ালে পল্লবীর শাশুড়ির চরিত্রে থাকছেন রীতা দত্ত চক্রবর্তী, শ্বশুরের ভূমিকায় থাকছেন দুলাল লাহিড়ীর মতো অভিজ্ঞ শিল্পী। দেখা মিলবে টলিপাড়ার দুই নতুন মা অহনা দত্ত, মানসী সেনগুপ্তর। এছাড়াও রয়েছেন অস্মিতা চক্রবর্তী, শঙ্কর মালাকার।

এই প্রোমোতে ফ্ল্যাশব্যাকে পল্লবীকে পশ্চিমী পোশাকে নাইটক্লাবে নাচতে দেখা গিয়েছে। যার সঙ্গে এই প্রোমোর মেলবন্ধন ঠিক কোথায়, তা স্পষ্ট নয়। রূপমঞ্জরীর অতীতের কোনো ঘটনাই কি গোরার সন্ন্যাস গ্রহণের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে?
সিরিয়ালের প্রোমো দেখে হাঁ অনুরাগীরা। পল্লবীর স্নিগ্ধতা আর অভিনয়ের জাদুতে বুঁদ সকলে। দুটো ব্লকবাস্টার মেগার নায়িকা পল্লবী কি পারবেন হিটের হ্যাট্রিক দিতে? আগামী কয়েক সপ্তাহে স্পষ্ট হবে ছবিটা।