সামনেই প্রজাতন্ত্র দিবস। ২০২৬ প্রজতন্ত্র দিবস ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে। তারই মাঝে সংবাদ সংস্থা এএনআই-র রিপোর্ট দাবি করছে, গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসে হরিয়ানা, দিল্লি-এনসিআর, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশে নাশকতার ছক কষছে খলিস্তানি ও বাংলাদেশি জঙ্গি শিবির।
সংবাদ সংস্থা এএনআই বলছে, ‘২৬শে জানুয়ারির আগে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলি একটি সতর্কতা জারি করেছে যে খালিস্তানি সন্ত্রাসী সংগঠন এবং বাংলাদেশ-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলি দিল্লি এবং দেশের আরও বেশ কয়েকটি শহরকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করতে পারে।’ গোয়েন্দা সূত্র অনুসারে, সংবাদ সংস্থা এএনআই-র-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব-ভিত্তিক গ্যাংস্টাররা ক্রমবর্ধমানভাবে খালিস্তানি এবং বিদেশ থেকে পরিচালিত উগ্রপন্থী হ্যান্ডলারদের ‘পদাতিক সৈনিক’ হিসেবে কাজ করছে। এই হ্যান্ডলাররা তাদের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যাহত করতে অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। রিপোর্ট বলছে, এই সমস্ত গ্যাংস্টাররা আরও পাকাপোক্তভাবে সক্রিয় করছে, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ রাজস্থান, দিল্লি এনসিআর-এ। এরা ক্রমেই খলিস্তানিদের সঙ্গে সংযোগ রাখছে বলেও খবর রয়েছে গোয়েন্দা সূত্রের কাছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম দিকে উত্তর দিল্লির সংবেদনশীল স্থানে চারটি মক ড্রিল অনুশীলন পরিচালিত হয়, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঐতিহাসিক স্থান, বিশিষ্ট বাজার এবং পরিবহন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ সমবেত হন। সেই সমস্ত জায়গায় ওই মহড়া চলে। এদিকে, জঙ্গি নাশকতার ছক নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আটোসাঁটো বাঁধন রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দিল্লিতে লাল কেল্লা, আইএসবিটি কাশ্মীর গেট, চাঁদনি চক, খারি বাওলি, সদর বাজার এবং মেট্রো স্টেশন এলাকাগুলিকে নিরাপত্তার দিক থেকে বেশ সংবেদনশীল। সেখানে মক ড্রিল আয়োজিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত ২৬ জানুয়ারির আগে দিল্লি জুড়ে নিরাপত্তা রয়েছে কড়া। এছাড়াও দেশের অন্যান্য জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তা রয়েছে বলে খবর।
