Trump on India-US trade। ‘আমরা শুল্ক দিচ্ছি না, ওরা দিচ্ছে…’! ভারতকে নিয়ে ট্রাম্প

Spread the love

সুপ্রিম কোর্টের ‘অবমাননা’ করে ফের শুল্কের ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিদেশি পণ্যের উপর ১০ শতাংশ ‘বৈশ্বিক শুল্ক’ আরোপ করে আদেশনামায় স্বাক্ষর করেছেন। তবে আপাতত তা নিয়ে সরকারিভাবে কোনও খসড়া প্রকাশ করা হয়নি। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ১২২ ধারার অধীনে ১০ শতাংশের নতুন শুল্ক প্রয়োগ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই ধারা প্রেসিডেন্টকে একতরফা শুল্ক আরোপ করার ক্ষমতা দেয়। তবে সেটি কেবল ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর থাকতে পারে। তারপর মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

সরাসরি বিচারপতিদেরই নিশানা ট্রাম্পের

আর ট্রাম্প সেই ঘোষণা করেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে। শুক্রবারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘আন্তর্জাতিক আমদানি শুল্ক’-কে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই বিচারপতিদের নিশানা করেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, বিচারপতিরা বোকার মতো কাজ করেছেন। তাঁরা ‘রিপাবলিকান ইন নেম ওনলি’ এবং উগ্র বামপন্থীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প। সেইসঙ্গে তিনি আক্রমণের সুর চড়া করে বলেন, বিচারপতিরা দুর্বল। পরিবারের জন্য লজ্জার।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে ট্রাম্প কী বললেন?

তারইমধ্যে ট্রাম্প দাবি করেছেন, বাণিজ্য নিয়ে ভারতের প্রতি আমেরিকার অবস্থান পালটাচ্ছে না। বর্তমানে যে শুল্কের নিয়ম আছে, তাতে ওয়াশিংটন লাভবান হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কিচ্ছু পালটায়নি। ওরা শুল্ক দেবে। আমরা কোনও শুল্ক দেব না। প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র) মোদী দুর্দান্ত মানুষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরিখে উনি যাঁদের সামনে ছিলেন, তাঁদের চেয়ে তিনি অনেক বেশি বুদ্ধিমান। উনি আমাদের থেকে বেশি (শুল্ক) নিচ্ছিলেন। তাই আমরা ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে নিয়েছি। আমরা ওদের শুল্ক দিচ্ছি না। ওরা দিচ্ছে। আমরা (খেলাটা) পালটে দিয়েছি।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প?

সেইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দুর্দান্ত এবং আমরা ভারতের সঙ্গে ব্যবসা করছি। রাশিয়া থেকে সরে এসেছে ভারত। রাশিয়ার থেকে নিজেদের তেল আনছিল ভারত। আমার অনুরোধে সেখান থেকে সরে এসেছে ওরা। কারণ আমরা একটা জঘন্য যুদ্ধ মিটিয়ে ফেলতে চাই। যেটার কারণে প্রতি মাসে ২৫,০০০ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *