UAE Consulate Attacked in Iraq। ইরাকে এবার UAE-র কনস্যুলেটে হামলা! ইরানকে ঠেকাতে মিসাইল পাঠাবে অস্ট্রেলিয়া

Spread the love

এতদিন ধরে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালাচ্ছিল ইরান। এবার আমেরিকার মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতির কনস্যুলেটে আছড়ে পড়ল মিসাইল। ঘটনাটি ঘটেছে ইরাকের এরবিলে। ইরাকের কুর্দ অধ্যুষিত এলাকায় অবস্থিত এই এরবিল। এই হামলা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, এরবিলে তাদের কনস্যুলেটে হামলার জেরে ভবনে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এই হামলায় কোনও প্রাণ যায়নি বলে জানায় সংযুক্ত আরব আমিরাত।

এদিকে ইরানের এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তাদের কথায়, এই হামলার জেরে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরও বিঘ্নিত হবে। এরই সঙ্গে এভাবে দূতাবাসে হামলার মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিক আইন ও রীতি লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এদিকে স্থানীয় ইরাকি কর্তৃপক্ষকে এই হামলা নিয়ে তদন্ত করার অনুরোধ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর আগে ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়েছিল ইরান। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কনস্যুলেট লক্ষ্য করে এই মিসাইল কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে, তা নিয়ে কিছু বলেনি আমিরাতি কর্তৃপক্ষ। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরাসরি ইরানের নাম না নিলেও এই কুর্দিশ এলাকায় লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।

এদিকে অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় তারা একটি নজরদারি বিমান মোতায়েন করবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে উন্নত মানের এয়ার টু এয়ার মিসাইল সরবরাহ করবে। ইরানের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এবং আটকে পড়া অস্ট্রেলিয়ানদের দেশে ফেরাতে আকাশসীমা খোলা রাখার জন্যে নাকি এই মিসাইল আমিরাতিদের দেবে অস্ট্রেলিয়া।

এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছিল ইরান। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং আবু ধাবির বহু হোটেল, ভবন, বন্দরে হামলা চালিয়েছে ইরান। দুবাইয়ের বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানি মিসাইলের আঘাতে। এমনকী দুবাইয়ের বিমানবন্দরেও আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল। দুবাইয়ে মেরিনার টাওয়ার, বিলাসবহুল পাম জুমেইরা এলাকার ফেয়ারমন্ট দ্য পাম হোটেল, বুর্জ আল আরব হোটেল থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। যদিও এই সব জায়গায় হামলার বিষয়টি সরকারি ভাবে স্বীকার করছে না আমিরাতি সরকার। শুধু তাই নয়, দুবাই বিমানবন্দরে হামলার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সত্ত্বেও সে দেশের সরাকারি টিভি চ্যানেলে দাবি করা হয়েছে, বিমানবন্দরে নাকি কোনও হামলাই হয়নি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরনের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, যুদ্ধের প্রথম ১০ দিনে তারা অন্তত ১৫০০ ইরানি রকেট, ড্রোন ধ্বংস করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *