কীভাবে পূরণ হচ্ছে সরকারি কোষাগার, আর কীভাবেই বা তা থেকে খরচ হচ্ছে। তৃতীয় মোদি সরকারের গোটা প্রক্রিয়ার একটি ধারণা দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন(Nirmala Sitharaman)। প্রতি ১ টাকার কত পয়সা কোন খাত থেকে এসে জমা হয় সরকারি কোষাগার আর কীভাবেই বা খরচ হয়, তার খতিয়ান মিলল ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে।
কর থেকে কত রাজস্ব আদায়
এই নিয়ে অষ্টমবার সম্পূর্ণ বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট নথি মোতাবেক, এক টাকার সবচেয়ে বড় অংশ অর্থাৎ ৬৬ পয়সা আসে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর থেকে। বাকি কিছু পয়সা আসে ধার, কর নয় এমন রাজস্ব ও মূলধনী আয় থেকে।
কোন কর থেকে কত?
প্রত্যক্ষ করের মধ্যে রয়েছে আবার আরও কিছু ভাগ। যেমন কর্পোরেট কর আর ব্যক্তিগত আয়কর থেকে মোট ৩৯ পয়সা অর্থাৎ ৩৯ শতাংশ কর আসে। এর মধ্যে কর্পোরেট করের পরিমাণ ২২ শতাংশ। ব্যক্তিগত আয়কর ১৭ শতাংশ। পরোক্ষ করের অধীনে, জিএসটি থেকে ১৮ শতাংশ কর আসে।
অন্যান্য খাত থেকে রাজস্ব আদায়
অন্যদিকে আবগারি শুল্ক থেকে ৫ পয়সা ও পণ্য শুল্ক থেকে ৪ পয়সা আয় হয় ভারতের। তবে এ তো গেল করের প্রসঙ্গ। কর ছাড়াও, বিভিন্ন খাতে যেমন ধার, কর নয় এমন রাজস্ব ও মূলধনী আয় থেকে ২৪ পয়সা আয় হয় ভারতের। এর মধ্যে বেসরকারিকরণ থেকে ৯ শতাংশ আর কর নয় এমন রাজস্ব থেকে ১ শতাংশ রাজস্ব আদায় করে ভারত।
কীভাবে খরচ হয় রাজস্ব
খরচের দিকটি এবার বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, সরকারের তরফে বিভিন্ন রাজ্যগুলির জন্য সবচেয়ে বেশি অর্থই বরাদ্দ করা হয়ে থাকে। বাজেট নথি বলছে, এক টাকার মধ্যে ২২ পয়সাই রাজ্য সরকারগুলির জন্য বরাদ্দ করা হয়ে থাকে। প্রতি রাজ্যের প্রাপ্য কর ও শুল্কের খতিয়ান এটি। অন্যদিকে কেন্দ্রের বিভিন্ন বিভাগীয় স্কিমে ১৬ পয়সা প্রতি টাকা খরচ হয়। এছাড়াও, কেন্দ্র পরিবেশিত কোনও প্রকল্পে ব্য়য় হয় ৮ পয়সা। বাকি ৮ পয়সা খরচ করা হয় বিভিন্ন আর্থিক বরাদ্দ প্রদানে। এছাড়াও, বাজেটে বলা হয়েছে, ভর্তুকি দিতে প্রতি টাকায় ৬ পয়সা, পেনশন দিতে ৪ পয়সা খরচ করা হয়। এছাড়াও, সরকারি বিভিন্ন দফতর চালাতে খরচ হয় প্রতি টাকায় ৮ পয়সা।