Waqf Amendment Bill Latest Update। ‘বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে ভারতে,তাও দেশের মুসলিমরা গরিব কেন?’

Spread the love

লোকসভায় পেশ হল ওয়াকফ সংশোধনী বিল। আর এরপরই বিরোধীদের তোপ দাগেন সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি ওয়াকফ নিয়ে প্রশ্নবাণ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে ভারতে, তবুও মুসলমানরা দরিদ্র।’ সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, মুসলিমদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনও উদ্দেশ্য আমাদের নেই। 

আজ সংসদে কিরেন রিজিজু বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে ভারতে, তবুও দেশের মুসলমানরা দরিদ্র। দেশে মুসলমানরা এত গরিব কেন? কেন এই সম্পত্তি গরিব মুসলিমদের কল্যাণে ব্যবহার করা হচ্ছে না? এই সরকার যদি এই সম্পদ দিয়ে গরিবদের উন্নয়নে কাজ করে থাকে, তাহলে আপনাদের আপত্তি কেন হবে? একে জাত-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে দেখতে হবে। মন্ত্রী বলেছিলেন যে ওয়াকফ বোর্ডে দু’জন মহিলা সদস্যও থাকবেন। মোট ১০ জন সদস্য থাকবেন। দু’জন মুসলিম সদস্য এবং দু’জন পেশাদার থাকা বাধ্যতামূলক। এতে শিয়া ও সুন্নি উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এতে পিছিয়ে পড়া মুসলিমদেরও প্রতিনিধিত্ব করা হবে।’ 

কিরেন রিজিজু বলেন, এই বিল আনার আগে সব দলের মতামত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৯৭ লক্ষেরও বেশি মানুষের পরামর্শ শোনা হয়েছে। ২৫টি রাজ্যের ওয়াকফ বোর্ড থেকেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল এবং সেগুলিও বিবেচনা করা হয়েছিল। ১৯৫৪ সালে স্বাধীন ভারতে প্রথমবার ওয়াকফ বোর্ড আইন চালু হয়। এরপরই রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের কাছে প্রস্তাব আসে। এটি তখন থেকে বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে এবং ১৯৯৫ সালে একটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তখন কেউ বলেনি যে সেই সংশোধনী বিল অসাংবিধানিক। কেন এমন হচ্ছে? আপনি যদি সততার সাথে চিন্তা করেন তবে আপনি মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।

সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, মুসলিমদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনও উদ্দেশ্য আমাদের নেই। তাঁর কথায়, ওয়াকফ বোর্ডের কাজ হল জমি ইত্যাদির তত্ত্বাবধায়ক পরিচালনা করা। সম্পত্তির উপর তার কোনও মালিকানা নেই। তিনি বলেন যে এটি কেবল সম্পত্তি পরিচালনার বিষয়। এর সাথে মুসলমানদের বিষয়াদির কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও মুসলমান তাঁর উম্মতের জন্য যাকাত আদায় করলে সরকার তাতে কিছুই করতে চায় না। এতে হস্তক্ষেপ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *