‘ম্যাজিক’ ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। একজনও মৃত ভোটারের নাম নেই, এমন বুথের সংখ্যা ২,২০৮ থেকে কমে দুইয়ে ঠেকল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি এনুমারেশন ফর্ম ফিরে এসেছে, এমন বুথের একটি রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। অপর বুথটি হাওড়ার। আর সার্বিকভাবে এখনও পর্যন্ত খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৫৬ লাখের বেশি নাম বাদ যেতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর মিলেছে। তবে সেই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। কারণ এখনও পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম সংগ্রহ করা এবং ওয়েবসাইটে আপলোড করার প্রক্রিয়া চলছে। ফলে চূড়ান্ত সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলে মনে করছে কমিশন।
‘প্রবল চাপের’ মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে, সহমর্মী মুখ্যমন্ত্রী
সেইসব পরিসংখ্যান সামনে আসার মধ্যেই সোমবার কোচবিহারের প্রশাসনিক সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ থমকে দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে এই সময় ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) করা হচ্ছে। এসআইআরে যুক্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের যে ‘প্রবল চাপের’ মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে, তা নিয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী আর্জি জানিয়েছেন যে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজও যেন থমকে না থাকে, সে বিষয়টা নিশ্চিত করতে হবে।
ইচ্ছাকৃতভাবে এই সময় এসআইআর হচ্ছে, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি যে বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও), মহকুমা আধিকারিক, বুথ লেভেল এজেন্টদের (বিএলএ) উপরে মারাত্মক চাপ আছে। কিন্তু উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং এসআইআরের কাজ একসঙ্গে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে। রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ থমকে দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে এই সময় এসআইআর করা হচ্ছে। মাত্র দু’মাসে এসআইআর শেষ করতে এত তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে কেন?’

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের নয়া তারিখ
১) এনুমারেশন ফর্ম জমার শেষ তারিখ: ১১ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার)।
২) খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার)।
৩) নোটিশ দেওয়া, হিয়ারিংয়ের মতো প্রক্রিয়া: ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি।
৪) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)।