উত্তরবঙ্গ পেল অত্যাধুনিক ভলভো স্লিপার বাস। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম (SBSTC) ১৩টি সিএনজি বাস পেল। কলকাতা মহানগরের জন্য পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগম (WBTC) পেল ১৮টি সিএনজি বাস (এসি মিডি বাস)। বিধানসভা নির্বাচনের আগে একগুচ্ছ ‘উপহার’ দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের (NBSTC) ছ’টি স্লিপার ভলভো বাস প্রকল্পের জন্য খরচ ১১.৩৬ কোটি টাকা। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম যে ১৩টি সিএনটি বাস পেল, সেজন্য ৫.২ কোটি টাকার মতো খরচ হয়েছে। আর কলকাতা মহানগরের এসি মিডি বাসের জন্য ব্যয় হয়েছে ৫.৫ কোটি টাকা।
উত্তরবঙ্গের জন্য অত্যাধুনিক ভলভো স্লিপার বাস
আপাতত যা খবর, তাতে একটি ভলভো স্লিপার বাস আলিপুরদুয়ার, কলকাতা হয়ে দিঘা পর্যন্ত যাবে। অপর একটি বাস কোচবিহার থেকে ছাড়বে। কলকাতা হয়ে পৌঁছাবে দিঘায়। আর চারটি ভলভো স্লিপার বাস চালানো হবে শিলিগুড়ি এবং দিঘার মধ্যে। সেই চারটি বাসও কলকাতা হয়েই যাবে। তবে রুট এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। ওই বাসের পরিষেবা চালু করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে সূত্রের খবর।
এই প্রথমবার ভলভো স্লিপার বাস…
বিষয়টি নিয়ে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় জানিয়েছেন, এই প্রথমবার উত্তরবঙ্গের জেলা থেকে স্লিপার ভলভো বাসে চড়ে কলকাতায় পৌঁছানো যাবে। কোন কোন রুটে সেই বাসগুলি নামানো হবে, তা খুব শীঘ্রই নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন। সেইমতো ভাড়াও নির্ধারণ করা হবে বলে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম সূত্রে খবর।

SBSTC-র কোন কোন রুটে সিএনজি বাস চালু করা হল?
১) দুর্গাপুর থেকে বহরমপুর: ২টি বাস।
২) দুর্গাপুর থেকে কলকাতা: ২টি বাস।
৩) বর্ধমান থেকে কলকাতা: ২টি বাস।
৪) বর্ধমান থেকে করুণাময়ী: ১টি বাস।
৫) বর্ধমান থেকে কৃষ্ণনগর: ১টি বাস।
৬) আসানসোল থেকে কৃষ্ণনগর: ১টি বাস।
৭) আরামবাগ থেকে কলকাতা: ১টি বাস।
৮) আরামবাগ থেকে তারাপীঠ: ১টি বাস।
৯) বাঁকুড়া থেকে সিউড়ি: ১টি বাস।
১০) দুর্গাপুর থেকে ঝাড়গ্রাম: ১টি বাস।